হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

ভারতীয় রাজনীতিতে মমতার রাজনৈতিক অধ্যায় কি শেষ

আব্দুর রহমান 

সিঙ্গুরে টাটার বিনিয়োগ বন্ধ করার আন্দোলন করে ক্ষমতার শীর্ষে উঠে এসেছিলেন মমতা। ছবি সৌজন্য: তৃণমূল কংগ্রেস

ভারতের রাজনীতিতে আঞ্চলিকতাবাদ বহু পুরোনো বিষয়। সেই আঞ্চলিকতাবাদের ধারাবাহিকতায় এত দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) ঠেকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় মমতার সেই দুর্গে ধস নামিয়েছে।

মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেসই শুধু নির্বাচনে হারেনি, একই সঙ্গে তিনি নিজেও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তাঁর নিজ আসনে হেরেছেন। আর সেই সঙ্গে মমতার দলেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। দলের নির্বাচিত বিধায়ক ও লোকসভা-রাজ্যসভার এমপিরা পর্যন্ত মমতার বিরুদ্ধে চলে গেছেন এবং অনেকে বিজেপিকে কেন্দ্র এবং আঞ্চলিক বিধানসভায় সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে দুটি বিষয় নিয়ে। এক. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার কি শেষ এবং দুই. তিনি তাঁর পুরোনো দল সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে ফিরবেন কি না।

এসব প্রশ্নের সহজ কোনো উত্তর নেই। নানা শর্ত ও বিদ্যমান বাস্তবতার আলোকে হিসাব-নিকাশ প্রয়োজন। তবে যে বিষয়টি না বললেই নয়—মমতা কেন হারলেন এবং তাঁর দল কেন ভাঙনের মুখে, সেই বিষয়ের সুলুক সন্ধান প্রয়োজন। মমতা মূলত তাঁর নিজের ফাঁদেই পড়ে গিয়েছিলেন। কারণ, তিনি সিঙ্গুরে টাটার বিনিয়োগ বন্ধের আন্দোলন করে ক্ষমতার শীর্ষে উঠে এসেছিলেন। কিন্তু টানা ১৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি রাজ্যের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটাতে পারেননি। এ কারণে, রাজ্যের তরুণদের বেকারত্বের হারও ব্যাপক বেড়ে গিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে মমতার সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ ছিল।

এ ছাড়া স্থানীয় কিংবা তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর দলের নেতাদের লাগামহীন আচরণ, সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে একেবারে তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত দুর্নীতির অভিযোগ এবং দলের নেতৃত্বে ভাতিজা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার মতো অভিযোগ ছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে যখন তৃণমূলের বিধায়ক-এমপিরা দল ছেড়ে যাচ্ছেন, তখন তাঁরা অভিযোগ হিসেবে এসব বিষয় সামনে এনেছেন। বিশেষ করে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যাপারে তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতা, এমপি-বিধায়কদের অভিযোগ এন্তার। অনেকে মমতার শাসনকে বাংলাদেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার শাসনের সঙ্গে তুলনা করেন। এর খানিকটা প্রমাণও পাওয়া যায় খোদ মমতার কথা থেকে। শেখ হাসিনা যেমন সরকার এবং তাঁর দল আওয়ামী লীগে সর্বেসর্বা হয়ে উঠেছিলেন, মমতাও ঠিক তাই। তাঁর এই মনোভাব থেকে তিনি চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঘোষণা দেন, ‘মনে রাখবেন, সব আসনেই আমি প্রার্থী।’

মমতার এই বক্তব্য একই সঙ্গে তাঁর চরম আত্মবিশ্বাস, সর্বেসর্বা হয়ে ওঠা এবং দলের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ ও আস্থা হারানোর ইঙ্গিত। এবং এটাও তৃণমূল কংগ্রেসের ভেঙে পড়ার অন্যতম কারণ।

আর এখান থেকে আলাপ শুরু করা যেতে পারে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ, নাকি তিনি গান্ধী পরিবারের নেতৃত্বাধীন দল কংগ্রেসে, তাঁর নিজের রাজনৈতিক আঁতুড়ঘরে ফিরে যাবেন। এই দুটি প্রশ্নের জবাব পাওয়া যাবে—তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর মমতার নিয়ন্ত্রণ কতটা এবং কংগ্রেস নেতৃত্ব ও মমতার দলের নেতারা একীভূত হওয়ার বিষয়টি কীভাবে বিচার করবেন, তার জবাব থেকে। অবশ্য, মমতার দলের টিকে থাকা এবং কংগ্রেসে ফেরার বিষয়টি বোঝার জন্য শারদ পাওয়ারের কেসও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

ভারতে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় শারদ পাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, ‘আগামী দুই বছরের মধ্যে একাধিক আঞ্চলিক দল কংগ্রেসের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হবে, অথবা তারা কংগ্রেসে একীভূত হওয়ার বিকল্প বিবেচনা করতে পারে।’ নিজ দল ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি সম্পর্কে পাওয়ার বলেন, তিনি তাঁর দল এবং কংগ্রেসের মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখেন না।

শারদ পাওয়ার এমন কোনো ব্যক্তি নন, যিনি হঠাৎ মুখে যা আসে, তা-ই বলেন। তাঁর কথা পরিমিত এবং সময় নির্বাচনেও অত্যন্ত সচেতন। তাই তাঁর মন্তব্য থেকে স্পষ্টই বোঝা গিয়েছিল, এটি ছিল একটি ‘ট্রায়াল বেলুন’ বা কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া যাচাইয়ের কৌশল। এমন পরিস্থিতিতে প্রবীণ শারদ পাওয়ার হয়তো রাজ্য নির্বাচনে পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতে বড় ভূমিকার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন।

এখন—ঠিক দুই বছর পর—শারদ পাওয়ারের ভবিষ্যদ্বাণী নতুন করে বাস্তবতার আলো পাচ্ছে। আঞ্চলিক দলগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে, আর বিজেপি দ্রুত নিজের প্রভাব বিস্তার করছে। নতুন আত্মবিশ্বাসে ক্ষমতাসীন দলটি সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের লক্ষ্যে বিরোধী দলগুলোর ভাঙনকে উৎসাহিত করে এগোচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে একসময় অপ্রতিরোধ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু পরাজিতই হননি, তাঁর দলও দ্রুত ভাঙনের মুখে পড়েছে। তাঁর দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক ও লোকসভা সদস্য ইতিমধ্যে তাঁর কাছ থেকে সরে গেছেন। ২০ বিদ্রোহী সংসদ সদস্যের একটি দল একটি অখ্যাত দল এনসিপিআইতে মিশে গিয়েছে, মূলত দলত্যাগবিরোধী আইন থেকে বাঁচার জন্য। পরে তাঁরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তাঁরা এখন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে সমর্থন করবেন।

এই পরিস্থিতিতে বিজেপিবিরোধী জোট রাজনৈতিকভাবে তো বটেই, পার্লামেন্টেও নিজেদের অবস্থান সংকীর্ণ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে গেছে। তাই উদ্বিগ্ন কংগ্রেস ৮ জুন দুই বছর পর প্রথমবারের মতো ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডাকে। যদিও মমতা আগে এই জোট নিয়ে খুব একটা আগ্রহ দেখাননি, এবার তাঁকে সোনিয়া গান্ধীকে আন্তরিকভাবে আলিঙ্গন করতে দেখা যায়। এরপর হঠাৎ গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, মমতা এবং পাওয়ার তাঁদের সংকুচিত আঞ্চলিক দলগুলো কংগ্রেসের সঙ্গে একীভূত করতে পারেন।

যদিও কংগ্রেস ও মমতার তৃণমূলের মুখপাত্ররা এই খবর অস্বীকার করেছেন। তবে রাজস্থানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেছেন, যাঁরা একসময় কংগ্রেস ছেড়ে গিয়েছিলেন, তাঁদের সবারই ‘ঘরে ফেরা’ উচিত।

তবু প্রশ্ন থেকে যায়। কারণ, ‘ঘরে ফেরা’র ধারণাটি একধরনের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব তৈরি করতে পারলেও এবং শুনতে আকর্ষণীয় শোনালেও এটি বাস্তবে কতটা সম্ভব?

যাঁরা দল ছেড়ে নিজেদের আলাদা পথ গড়েছেন, তাঁরা আবার ফিরে এসে কংগ্রেসে কতটা গ্রহণযোগ্য হবেন? কারণ, ভাঙা যত সহজ, জোড়া লাগানো ততই কঠিন; পুরোনো ক্ষোভ, অপমান ও অবিশ্বাস ভুলে আবার এক ছাতার নিচে আসা সহজ কাজ নয়।

মমতা কি রাহুল গান্ধীর অধীনে কাজ করতে পারবেন? টেকনিক্যালি তিনি দলীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের অধীনেই থাকবেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁর নিজ রাজ্যে কি স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে? আরও বড় প্রশ্ন, যেসব কর্মী গত কয়েক বছরে একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন, তাঁরা কীভাবে সহজে একসঙ্গে কাজ করবেন?

বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস সাংগঠনিকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে আসামে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি অত্যন্ত দুর্বল। এমনকি কলকাতায় সাংগঠনিক সক্রিয়তায় দলটি পিছিয়ে। দলের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা রাজ্যের অন্য জেলাগুলো ৯০ শতাংশ কিংবা তারও বেশি পূরণ করতে সক্ষম হলেও কলকাতা শহরে সেই হার মাত্র ৭২ শতাংশে সীমাবদ্ধ ছিল। শীর্ষ নেতৃত্বের একাধিক সতর্কবার্তা ও হুঁশিয়ারির পরও এই পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে যে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব কর্মীদের কার্যকরভাবে মাঠে নামাতে ব্যর্থ হয়েছে।

দলের অভ্যন্তরে নেতৃত্বসংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, কোন্দল এবং প্রভাবশালী নেতাদের দলত্যাগও সংগঠনকে দুর্বল করে তুলেছে। বহু গুরুত্বপূর্ণ নেতা বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় মাঠপর্যায়ে তৃণমূলের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে পড়ে। দলের অভ্যন্তরীণ গতিশীলতা এবং নেতৃত্বসংকটের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্ব আর অসন্তোষ।

প্রবীণ নেতাদের একাংশের মধ্যে বঞ্চনার অনুভূতি ক্রমেই প্রকট হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া একটি সীমিত গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে এবং দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র দুর্বল হয়েছে। একই সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও গুরুত্ব দলের প্রবীণ নেতৃত্বের একটি অংশকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে দলের অভ্যন্তরে যে বিভাজন তৈরি হয়েছে, বিরোধীরা তা রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছে।

দলে প্রবীণ নেতা সুখেন্দু শেখর রায় দলীয় সংগঠনের কার্যপ্রণালি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রে পরিবর্তন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাকের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অভিযোগ করেছেন তিনি। একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে দলে অভ্যন্তরীণ বিতর্ক কিংবা ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ প্রায় নেই বললেই চলে এবং অধিকাংশ সিদ্ধান্ত একতরফাভাবে নেওয়া হচ্ছে। অনেক প্রভাবশালী নেতার মতে, দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো অত্যধিক কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে। তাঁদের ভাষায়, ‘এটি একতরফা ব্যবস্থা, যেখানে কার্যত একজনই সব কথা বলছেন।’

দলের শীর্ষ স্তরেই নয়, তৃণমূল স্তরেও ঐক্যের ঘাটতি স্পষ্ট। প্রভাবশালী স্থানীয় নেতাদের মধ্যে প্রকাশ্য সংঘাতও সংগঠনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যেমন শওকত মোল্লা ও আরাবুল ইসলামের মতো নেতাদের মধ্যে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে দলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করেছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের মতো গণভিত্তিক দলগুলোর মৌলিক দুর্বলতা হলো, তাদের শক্তিশালী ও আনুষ্ঠানিক ক্যাডারভিত্তিক সাংগঠনিক কাঠামো নেই। তারা মূলত রাষ্ট্রক্ষমতা এবং পৃষ্ঠপোষকতার ওপর নির্ভরশীল। ফলে ক্ষমতার বাইরে চলে গেলে তাদের সাংগঠনিক ভঙ্গুরতা দ্রুত প্রকাশ পায়। আর এবারে নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় বিষয়টি নগ্নভাবেই প্রকাশ্যে এসেছে।

দলীয় সংকট এবং অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে ২ জুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো আনুষ্ঠানিক পদাধিকারী নেই। এই সিদ্ধান্ত একদিকে দল পুনর্গঠনে বড় পদক্ষেপ হতে পারে, অন্যদিকে এটি দলের গভীর সংকটেরও ইঙ্গিত বহন করে।

সব মিলিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কংগ্রেসে ফেরা অথবা নিজের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পথ ধরা নিঃসন্দেহে বিশাল চ্যালেঞ্জের কাজ।

ইরান চুক্তিতে নেতানিয়াহু বেকায়দায় পড়ে গেছেন?

মাস্টার্স পড়ার সেকাল-একাল

অ্যান্টার্কটিকার নতুন দ্বীপ ও অস্তিত্বের সংকট

শিক্ষা কি তবে শিশুর হাতের মোয়া

উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন জ্ঞানের চর্চাকে মূল্য দেওয়া: অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

সাদা চোখে জনতুষ্টির বাজেট, কিন্তু...

রিকনসিলিয়েশনের পথ কি রুদ্ধই থাকবে

মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে বিভ্রান্তি ও একজন বিদেশি বীর প্রতীক

মানুষের কষ্ট কমানোর কার্যকর যন্ত্রগুলো এখনো দুর্বল: ড. সেলিম রায়হান

ত্যাগের অপর নাম বাবা