হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

মুক্তি

বেলায়াত হোসেন মামুন

জগৎ দুঃখময়৷ এই দুঃখময় জগতের দুঃখ নিবারণের জন্য তিনি এমন এক পূর্ণিমা তিথিতে সংসার ত্যাগ করেছিলেন। বলা হয় তারও আগে আরেক পূর্ণিমা তিথিতে তিনি মনুষ্যজগতে পা রাখেন। এরপর তিনি এমনই এক পূর্ণিমা তিথিতে নির্বাণ লাভ করে সিদ্ধার্থ থেকে ‘বুদ্ধ’ হন। এবং ৮০ বছরের জীবনকার্য শেষ করে এমনই এক পূর্ণিমা তিথিতে তিনি মহানির্বাণ লাভ করেন।

মানুষের জীবনের দুঃখ নিবারণের জন্য তথাগত যে শিক্ষা মানুষকে দিয়েছিলেন, তার কতটুকুই বা মানুষ গ্রহণ করেছে? মানুষের পৃথিবী এই মহান শিক্ষককে অন্তত কিছুটা গ্রহণ করলেও এই সুন্দর নীল গ্রহটি প্রাণ ও প্রকৃতির জন্য এতটা ভয়ানক হয়ে উঠত না।

যা হোক, সিদ্ধার্থ চন্দ্রগ্রস্ত মানুষ ছিলেন। আমি চন্দ্রগ্রস্ত কি না জানি না। তবে পূর্ণিমার জোসনালোকিত রাতের অদ্ভুত মায়াময় ঘোর ভালোবাসি। কিন্তু কথা হলো, সিদ্ধার্থের সময়ের পরিবেশ ও প্রকৃতি তো আজ আর নেই। সেই পৃথিবী আমরা বহুভাবেই ধ্বংস করেছি। এখন আমরা যে চাঁদ দেখি তা আমাদের বায়ুমণ্ডলের দূষণ, নগরের উজ্জ্বল আলো, গভীর রাতেও চারপাশের কোলাহল এবং কংক্রিটের এই আস্তাবলের চাপ ও তাপ— সব মিলিয়ে গৃহত্যাগের মতো জোসনায় চরাচর ভেসে যাচ্ছে কি না তা–ও বুঝবার উপায় নেই।

হয়তো তাই, আজও গৃহত্যাগ করা হলো না। অপেক্ষায় আছি, একদিন হয়তো তেমন চরাচর ভেসে যাওয়া চন্দ্রালোকে মুক্তি ঘটবে এই জাগতিক সব শৃঙ্খল থেকে...।

বিশ্ব কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে

অনেক কিছুই নির্ভর করছে সেনাবাহিনীর ওপর

আজকের জগৎটি অবিশ্বাস আর অনাস্থার

তিমিসমাজ যা শেখাতে পারে

ভ্যাপের বিরুদ্ধে আরও প্রচার প্রয়োজন

ফাটা বাঁশের চিপায় ইরান

ইরান সংকটের দ্বিপক্ষীয় রূপ

প্রবীণেরা আত্মহত্যা কেন করেন

নতুন রূপে পররাজ্য দখলের সনাতনি পর্ব

মোগলহাট ও লালমনিরহাট: উন্নয়ন বঞ্চনার এক বাস্তব দলিল