‘স্বনামধন্য’ বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ তৈরিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ রোববার সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ তথ্য জানান।
বৈঠকে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী হাইকমিশনারকে জানিয়েছেন, সরকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করছে, যাতে স্বনামধন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানে যথাযথ একাডেমিক মান ও অবকাঠামো বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞান বিনিময়ে সহায়ক এমন অংশীদারত্বকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।
সাক্ষাতে দক্ষতা উন্নয়ন এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) ব্যবস্থাসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
কানাডীয় প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং বিশ্বব্যাংকের মতো সংস্থার সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের টিভিইটি ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে কানাডা ইতিমধ্যে সহযোগিতা প্রদান করছে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি বিনিময়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট সহযোগিতামূলক প্রকল্প গড়ে তুলতে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।