ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ও সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কারণে দুজনকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। তাঁরা হলেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোমের এক শিক্ষক এবং এক মসজিদের ইমাম।
এ ছাড়া এনসিপির নেতা সারজিস আলমের শাপলা কলি প্রতীকের পক্ষে ভোট করার কারণে পঞ্চগড়ের এক মসজিদের খতিবকে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটের শাহি ঈদগাহ এলাকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোমে শিক্ষকদের স্কিল ডেভেলপমেন্টের একটি প্রশিক্ষণ চলছিল। তখন হঠাৎ করেই সেখানে উপস্থিত হন সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তখন তিনি সেখানে নির্বাচনী বক্তব্য দেন। সেখান থেকে তিনি যাওয়ার পরে উপস্থিত কলেজের অধ্যক্ষসহ সবার সামনে এর প্রতিবাদ করেন ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মো. রিয়াজ উদ্দিন। তিনি তখন তাঁদের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কথাও জানান।
গতকাল সোমবার দুপুরে স্কলার্সহোমের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুনীর আহমদ কাদেরী শিক্ষক রিয়াজ উদ্দিনকে ডেকে তাঁর কক্ষে নেন। পরে চাকরি থেকে অপসারণের একটি পত্র দিয়ে কাল (আজ) থেকে আর কলেজে না আসার জন্য বলেন।
অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ায় হাফিজ মাসুম আহমদ নামে এক ইমামকে চাকুরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার কোনো নোটিশ ছাড়াই এশার নামাজের পর তাঁকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেন মসজিদের মোতোয়ালি ফয়জুর রহমান।
এদিকে এনসিপির পক্ষে ভোট করার কারণে পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের কুচিয়ামোড় জামে মসজিদের খতিব আব্দুল জব্বারকে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।