হোম > জাতীয়

ভোটের রোডম্যাপ চূড়ান্ত হতে পারে রোববার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন কমিশন। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) গতকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে ঘোষণার কথা বললেও তা পারেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সিনিয়র কর্মকর্তারা গতকাল চার ঘণ্টা বৈঠক করেও রোডম্যাপ চূড়ান্ত করতে পারেননি। তবে কর্মপরিকল্পনায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগামী রোববার রোডম্যাপ চূড়ান্ত হতে পারে।

ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে এই বৈঠক শুরু হয়। বিরতি দিয়ে বৈঠক চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। ব্যস্ততার কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বৈঠকে অংশ নেননি। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ ভোটার নিবন্ধনের কাজ দেখতে জাপানে রয়েছেন।

বিকেল পাঁচটার দিকে বৈঠকের বিরতি চলাকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে রোববার ব্রিফিং হতে পারে।

রোডম্যাপে কী থাকছে, সেই ধারণা দিতে গিয়ে অপর নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, তাঁরা অক্টোবরের মধ্যে মূল প্রস্তুতি সেরে ফেলতে চান। এই সময়সীমার মধ্যে সীমানা পুনর্নির্ধারণ, দল নিবন্ধন, পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংস্কার, আচরণবিধি জারি ও ভোটার তালিকার মতো বিষয় চূড়ান্ত করার কথা রোডম্যাপে তুলে ধরা হবে।

ইসির সূত্র জানায়, রোডম্যাপে সংলাপ, মতবিনিময়, মিটিং, ব্রিফিং, প্রশিক্ষণ, মুদ্রণ, বাজেট বরাদ্দ, আইটি-ভিত্তিক প্রস্তুতি, প্রচারণা, সমন্বয় সেল, আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক থেকে যাবতীয় কর্মপরিকল্পনা মাথায় রেখে উল্লেখযোগ্য খাত ও বাস্তবায়নের সূচি রয়েছে। এতে তফসিলের আগে ও পরের কাজ থাকবে এবং সম্ভাব্য বাস্তবায়ন সময় ধরে ইসির প্রস্তুতির বিষয়ও থাকবে।

ইসির কর্মকর্তারা বলেন, ইসি কাজের সুবিধার জন্য প্রাক্‌-নির্বাচন ও তফসিল-পূর্ববর্তী ‘প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা’ এবং তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য ‘কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সূচি’ সংক্রান্ত চেকলিস্ট তৈরি করে। ২০০৭-২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো রোডম্যাপ ঘোষণা করে তৎকালীন ইসি।

নির্বাচন সামনে রেখে ইসি প্রায় ৪৬ লাখ বাদ পড়া ভোটারের হালনাগাদ খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে। ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত; এরপর সম্পূরক তালিকার জন্য ৩১ অক্টোবর যাঁদের বয়স ১৮ হবে, তাঁদের ভোটার হওয়ার সুযোগ দেবে কমিশন।

বাছাই শেষে দল নিবন্ধনের ১২১টি আবেদন বাদ দেওয়া হয়েছে। ২২টি দলের অস্তিত্ব, কার্যকারিতা নিয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত চলছে। ৩০০ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। এ নিয়ে দাবি-আপত্তির আবেদন জমার শেষ দিন ছিল ১০ আগস্ট। শুনানি চলবে ২৪ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। তারপর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। অন্তত ৩১৮টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার আবেদন বাছাই করছে কমিটি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) অন্তত ৪৪টি সংস্কার চূড়ান্তের পর্যায়ে রয়েছে। এগুলো ঠিক হলে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। দল ও আচরণবিধি অনুমোদিত হয়েছে।

প্রবাসীদের ভোটের জন্য আইটি সাপোর্টেড নিবন্ধন ও পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চূড়ান্ত হলে পদ্ধতি নিয়ে প্রচার শুরু করবে কমিশন।

নির্বাচনী সরঞ্জাম কেনাকাটা সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

একটি আইএমইআই নম্বরেই ৩ কোটি ৯১ লাখ স্মার্টফোন: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

গুরুতর অসুস্থ ড. কামাল হোসেন হাসপাতালে ভর্তি

‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ স্লোগানে গণভোটের প্রচারে সরকার

আরও একটি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দিল সরকার

বায়তুল মোকাররমে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া

নির্বাচন ও গণভোট: কেন্দ্র বাড়ছে না, ভোটকক্ষ ও গোপন কক্ষ বাড়ছে

জাপার ৩, জামায়াতের ১ জনের প্রার্থিতা বাতিল

মেট্রোর দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন: নকশার ত্রুটি ও মানহীন বিয়ারিং প্যাডই কারণ

বড় নেতার সম্পদ কম

সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার: মানতে হবে এআই ব্যবহারসহ ৭টি বিধি