হোম > জাতীয়

যাত্রী কল্যাণ সমিতি

ফেব্রুয়ারিতে ৪৪৮ দুর্ঘটনার ৪২% জাতীয় মহাসড়কে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ৪৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত এবং ১১৮১ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৫১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১৬৭ এবং আহত ১৩৭। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেলের হার ৩৩.৭০ শতাংশ।

গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌপথের দুর্ঘটনার সংবাদ পর্যালোচনা করে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি।

স্থানভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট দুর্ঘটনার ৪২.৬৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৫.৪৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ২৭ শতাংশ ফিডার সড়কে ঘটেছে। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরীতে ৩.৩৪ শতাংশ, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ০.৪৪ শতাংশ এবং রেলক্রসিংয়ে ১.১১ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারিতে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১১৩টি দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত এবং ৩৮৭ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে। সেখানে ২২টি দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১৯ এবং আহত ৮৫ জন।

এ সময়ে দুর্ঘটনায় জড়িত ৬৮৭টি যানবাহন শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ২৬.৩৪ শতাংশ, ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ড ভ্যান ও লরি ২৩.৭২ শতাংশ, বাস ১৫.২৮ শতাংশ, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক ১৪.২৬ শতাংশ, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ৪.৮০ শতাংশ, নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা ৮.৮৭ শতাংশ এবং কার-জিপ-মাইক্রোবাস ৬.৪৭ শতাংশ।

ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার মধ্যে ৪১.৭৪ শতাংশ গাড়িচাপা, ৩৩.২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭.১৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়া এবং ৬.৪৭ শতাংশ অন্যান্য কারণে ঘটেছে। এ ছাড়া ওড়না চাকার সঙ্গে পেঁচিয়ে ০.২২ শতাংশ এবং ট্রেন ও যানবাহনের সংঘর্ষে ১.১১ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সড়ক পরিবহন খাতে নীতি ও ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত যানবাহন ও মোটরসাইকেল চলাচল, মহাসড়কে পর্যাপ্ত রোড সাইন ও মার্কিং না থাকা, মিডিয়ান ও ডিভাইডারের অভাব, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য, উল্টো পথে গাড়ি চালানো, চাঁদাবাজি, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহন।

দুর্ঘটনা কমাতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি কয়েকটি সুপারিশও করেছে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত দেশের নীতি অনুসরণ করে সড়ক পরিবহন খাত পরিচালনা, চালকদের প্রশিক্ষণ বাড়ানো, সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, মহাসড়কে সার্ভিস লেন ও ফুটপাত নির্মাণ, চাঁদাবাজি বন্ধ, রোড সাইন ও মার্কিং স্থাপন করা।

ঈদুল ফিতরে আজ বিক্রি হচ্ছে ১৭ মার্চের ট্রেনের টিকিট

জ্বালানি সংকটের শঙ্কা: ফিলিং স্টেশনে চালকদের ভিড়

‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া

জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রার্থী খলিলুর, ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিকদের সমর্থন দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকায় কূটনীতিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার

ফেব্রুয়ারিতে সড়কে ৪৪৭ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

হাদি হত্যা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা বাপ্পির বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা

জুলাই অভ্যুত্থানে গুলিতে আহত হোসেনের পাশে প্রধানমন্ত্রী

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে দেশ গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে : রাষ্ট্রপতি

দুবাই থেকে এবার ৪০৫ যাত্রী নিয়ে ঢাকায় এল ইউএস-বাংলার দ্বিতীয় বিশেষ ফ্লাইট