হোম > জাতীয়

পাম্পগুলোতে কৃত্রিম তেলসংকট তৈরি হচ্ছে: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ফাইল ছবি

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে জ্বালানি তেলের মজুত ও কালোবাজারি করছেন। ফলে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম তেল সংকট তৈরি হচ্ছে।

আজ রোববার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জ্বালানি মন্ত্রী। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন থেকে মোটরবাইকে ২০০ টাকার ফুয়েল প্রদান বা রং লাগানোর বিষয়ে কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি। তবে প্যানিক বায়িং ও মজুত প্রবণতার কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের এমন বক্তব্য যথার্থ। তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সারা দেশে জেলা, উপজেলা প্রশাসন ও বিপিসি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে। প্রতিদিন অবৈধ মজুতদারকে নিয়োগকৃত ম্যাজিস্ট্রেটগণ কর্তৃক আইনের আওতায় এনে জেল জরিমানা প্রদান করা হচ্ছে। মজুত ও কালোবাজারি প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত আছে। এ ছাড়া, স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৯ হাজার ১১৬টি অভিযানে ৩ হাজার ৫১০টি মামলা হয়েছে, ১ কোটি ৫৬ লাখ ৯ হাজার ৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় হয়েছে এবং ৫ লাখ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিপণনে অধিকতর স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল কার্ড চালু করা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা-শেষে সফল হলে সারা দেশব্যাপী তা বাস্তবায়ন করা হবে। উক্ত ফুয়েল কার্ডে গ্রাহকদের জ্বালানি তেল সংগ্রহের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।

সরকার দলীয় এমপি শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দেশের এলপিজির বাজার প্রায় ৯৮ দশমিক ৬৭ ভাগ আমদানি নির্ভর। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলপিজির আমদানি পরিস্থিতি নিয়মিতভাবে মনিটর করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম থেকে নিয়মিত দেশে এলপিজির আমদানি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে সে বিষয়ে আমদানিকারকদের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তা ছাড়া, ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে জানানো হচ্ছে।

লঞ্চভাড়া ৩৬–৪২ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব

সংবাদপত্রে ১০ম ওয়েজ বোর্ড গঠনের কার্যক্রম শুরু শিগগির: সংসদে তথ্যমন্ত্রী

বাস-লঞ্চ ভাড়া কমিটি পুনর্গঠনের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

বাংলাদেশে এয়ারপোর্ট ক্যালিব্রেশন সেবা দিতে আগ্রহী জার্মানি

আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড পরিদর্শনে সেনাবাহিনীর প্রধান

গণপরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণে সন্ধ্যায় বৈঠক

সিইউএফএল, কাফকোর পর এবার বন্ধ হলো ডিএপি সার কারখানা

ভিআইপিদের দেহরক্ষী আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টরাই

১৮০ দিনের পরিকল্পনা: সড়কে স্বস্তি ফেরাতে উদ্যোগী সরকার

লিটারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল ১৫-২০ টাকা, রাত ১২টা থেকে কার্যকর