হোম > জাতীয়

রায়ের কপি পেতে বিচারপ্রার্থীদের যেন আদালতের বারান্দায় ঘুরতে না হয়: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মামলার চাপ কমাতে বিচারকদের আরও উদ্যোগী ও তৎপর হতে বলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। তিনি বলেছেন, ‘বিচারকদের খেয়াল রাখতে হবে, মামলার রায় হওয়ার পর রায়ের কপি পাওয়ার জন্য বিচারপ্রার্থীদের যেন আদালতের বারান্দায় ঘোরাঘুরি করতে না হয়। মামলার পরিমাণ দিন দিন যে হারে বাড়ছে সেটাকে আয়ত্তের মধ্যে আনতে হবে, বিচারকদের আরো বেশি কাজ করতে হবে।’ 

আজ শনিবার ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দিবস-২০২১’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বঙ্গভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। 

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে এবং বিচারকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য আন্তরিক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। বিচার বিভাগের আধুনিকায়নে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এবং এ লক্ষ্য অর্জনে ই-জুডিসিয়ারি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।’ 

জাতির ক্রান্তিকালে যখনই প্রয়োজন হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট তার উপরে অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধানকে রক্ষা করেছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেন, ‘প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সুপ্রিম কোর্ট মানুষের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং স্বল্প সময়ে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে। শান্তি ও সঙ্কটে সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষক হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’ 

অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই সংবিধানের মূল লক্ষ্য। তবে অনেক সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এখনো নারীরা ন্যায়বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত রয়েছে। তাঁদের আইনের আশ্রয় লাভের ক্ষেত্রে যে বাধাগুলো রয়েছে সেই বাধা দূর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা এগিয়ে আসবেন বলে আশা করছি। একইভাবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে তাদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারকে সুনিশ্চিত করতে হবে।’ 

সভাপতির বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ‘বিচারকের পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন বিচারক নিশ্চিতভাবেই বিচারকর্মের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে পুরস্কৃত হবেন। দেশের জনগণও তাঁদের একটি বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন। বিচারক একজন মানুষ এবং তিনি সব মানুষের বিচার করেন। যে কোনো মানুষের প্রত্যাশা এই যে, একজন বিচারক হবেন আইনের জ্ঞানে প্রাজ্ঞ, আদালতের কাজে সময়ানুবর্তী ও নিয়মনিষ্ঠ, প্রশ্নাতীতভাবে ও সব ক্ষেত্রে সৎ, মানবিক মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সকলের সঙ্গে মর্যাদাপূর্ণ ও পরিশীলিত আচরণের একজন আদর্শ মানুষ। এটা কেবল বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা নয়, সব দেশের মানুষই এরকম গুণাবলীর মানুষকে বিচারক হিসেবে প্রত্যাশা করে। জনমানুষের এই সংগত ও যৌক্তিক প্রত্যাশা পূরণে বিচারকদের যত্নবান হতে হবে।’ 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘বিচার বিভাগ এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচারপতিরা নির্দ্বিধায় নির্বিঘ্নে তাঁদের মতামত তুলে ধরতে পারছেন। তবে এই পথ সবসময়ের জন্য মসৃণ ছিল তা নয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতাকে হত্যার বিচার রুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। গণতন্ত্র বিকাশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকবে।’ 

এ সময় বিচার বিভাগ আধুনিকায়নে ডিজিটালাইজেশনের বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন আইনমন্ত্রী। 

খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন জকসুর ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের নবনির্বাচিতরা

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, বিভিন্ন জেলায় আটক

পীর আউলিয়ার হাত ধরে ইসলাম এসেছে, মাজারে হামলা নিন্দনীয়: শফিকুল আলম

পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন স্থগিত

ওয়াশিংটন সফরে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, যা আলোচনা হলো মার্কিনদের সঙ্গে

সংসদ নির্বাচন: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে পুলিশের লুট হওয়া ১ হাজার ৩৩৫ অস্ত্র

সংসদ নির্বাচন হলফনামার তথ্য: অস্ত্রের মালিক ১৫৩ প্রার্থী

শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম শহীদ ওসমান হাদি হল করার সুপারিশ

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ভারত-পাকিস্তানসহ যেসব দেশ ও সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানাল ইসি

এজেন্ট নিয়োগ, জাল ভোট ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর নির্দেশনা ইসির