ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
আজ সোমবার নতুন করে এই কর্মপরিকল্পনা করা হয়েছে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ঘোষিত নতুন কর্মপরিকল্পনার তথ্য অনুযায়ী, ২২ জানুয়ারি ৩০০ সংসদীয় আসনের ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ করা হবে; এরপর ২৮ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির আরেকটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে; ১ ফেব্রুয়ারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অর্থ বরাদ্দ ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ এবং ২-৩ ফেব্রুয়ারি ব্যালট ও নির্বাচনী সামগ্রী মাঠপর্যায়ে পাঠাবে ইসি। তবে ভোট গ্রহণের জন্য তৈরি ভোটকেন্দ্রগুলোয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাম্প তৈরি না করার বিশেষ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আজ বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ড. মুহম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে এক বছরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের অঙ্গীকার করে। এর ধারাবাহিকতায় তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।