জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ অনুসারে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের দায়িত্ব পালন করবেন। এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেবেন।
কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি সংবিধান নেই। তাঁরা পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না। এ কারণে সংসদ সচিবালয়ের প্রস্তুতি থাকার পরেও বিএনপি নির্বাচিত সংসদ সদদ্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়নি।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিএনপির সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ার আগে সংক্ষপ্তি বক্তব্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধানে এ বিষয় যুক্ত না থাকায় বিএনপির সংসদ সদস্যরা আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা গণপরিষদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘গণভোটের রায় অনুযায়ী, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে। কে শপথ নেওয়াবেন সেটার বিধান করতে হবে। এই রকম ফরম (সংসদ সদস্যদের শপথ ফরম) সংবিধানে নেই। এই সাদা ফরম তৃতীয় তফসিলে আছে। এই রকম ফরম তৃতীয় তফসিলে আসবে। সেগুলো জাতীয় সংসদে সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হওয়ার পরে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান করা যাবে। বিধায়, আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে এই পর্যন্ত এসেছি। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলছি, এবং আশা করি সামনের দিনেও চলব। মাননীয় চেয়ারম্যানের নির্দেশে, ওনার উপস্থিতিতে আপনাদের এই দলীয় সিদ্ধান্ত জানালাম।’