শেখ হাসিনাকে ফেরানোর ষড়যন্ত্র
গোপন তৎপরতা চালানোর অভিযোগে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিংস কমিটি গঠন করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে তদন্ত কমিটি প্রত্যাহার ও ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বরাবর দেওয়া আবেদন নিষ্পত্তি না করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসীন আলীর বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস। এর আগে এম লিটন আহমেদ, রাশেদুল হক খোকন, বিপ্লব কুমার দাস ও মোস্তফা মোশাররফ হোসাইন রিটটি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, হাইকোর্ট শুধু রুল জারি করেছেন। এখানে কোনো অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ নেই। তাই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিংস কমিটি তাদের কার্যক্রম চালাতে কোনো বাধা নেই বলে জানান তিনি।
এর আগে ‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা’ শিরোনামে একটি অনলাইন পোর্টালে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। রিটকারীদের দাবি, ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যাচাইহীন সংবাদের ভিত্তিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটি বিলুপ্ত করা এবং এই সংক্রান্ত সব ব্যবস্থা প্রত্যাহার করতে ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বরাবর আবেদন করেন। ওই আবেদন নিষ্পত্তি না করায় তাঁরা রিট করেন।