খুব দ্রুতই শপথ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি আরও জানান, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সব শপথ এই সময়ের মধ্যে শেষ হবে বলে জানান তিনি।
আজ শনিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শফিকুল আলম।
সরকারের উচ্চপদস্থ সূত্র ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী—
১৫-১৬ ফেব্রুয়ারি হতে পারে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ। আর ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর শপথ এবং নতুন মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ হতে পারে।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের মতে, ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই, অর্থাৎ পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই নির্বাচিত সরকারের কাছে পূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। এর মাধ্যমেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেড় বছরের বেশি সময়ের শাসনকাল সমাপ্ত হবে এবং বাংলাদেশ একটি নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় প্রবেশ করবে।
শপথ পড়াবেন কে
সাধারণত বিদ্যমান সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর সংসদও বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ তখন থেকেই শূন্য। এই অবস্থায় সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দুটি পথ খোলা আছে:
১. রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি (যেমন প্রধান বিচারপতি) শপথ পাঠ করাতে পারেন।
২. যদি প্রথম তিন দিনের মধ্যে তা সম্ভব না হয়, তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করাবেন।
১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণের পর বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে ইসি। সারা দেশ থেকে আসা বিজয়ীদের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা শুক্রবার দুপুরে শেষ হয়। পরে শুক্রবার গভীর রাতে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য গেজেট এবং গণভোটের সরকারি ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।