বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া ৫ আসামি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি পাবেন না। একই সঙ্গে কনস্টেবল সুজন হোসেনকে সাজা কম দেওয়ার বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণ স্থগিত করা হয়েছে। এর ফলে যে যুক্তিতে তাঁকে কম সাজা দেওয়া হয়েছিল, তা অন্য কোনো আদালতে আর ব্যবহার করা যাবে না।
প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে আজ রোববার আপিল বিভাগের চেম্বার জজ মো. রেজাউল হক এই আদেশ দেন। আদেশের বিষয়টি জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
গত ২৬ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ চানখাঁরপুলের এই মামলার রায়ে আট আসামির মধ্যে পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। আর তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া আসামিদের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করে প্রসিকিউশন।
যে আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ শাস্তির প্রার্থনা করা হয় প্রসিকিউশনের আপিলে। আর যাঁদের সাজা কম, তাঁরা যেন আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কারাগার থেকে বের হতে না পারেন, সে জন্যও আবেদন করেছিল প্রসিকিউশন।