হাইকোর্ট বলেছেন, 'শুধু আসলে গেলে হবে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু করতে হবে।' আজ রোববার বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মুজিবর রহমানের বেঞ্চ এসব কথা বলে।
যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও বহিষ্কৃত কাউন্সিলর মোমিনুল হক সাঈদসহ অর্থপাচার মামলায় জারি করা রুলে দীর্ঘ আট মাসেও জবাব না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাইকোর্ট।
গত ১৭ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করে আদালতে রোববার শুনানি হয়।
এ সময় হাইকোর্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'কেন আদালতের আদেশ প্রতিপালন করা হয়নি? শুধুমাত্র পুলিশ আদেশ প্রতিপালন করেছে, বাকিরা কোথায়? আর কী বলব এ নিয়ে, কিছু বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। এগুলো খুব জটিল বিষয়। ভালো করে দেখে রায় দিতে হবে।'
পরে আদালত অর্থ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, বাণিজ্যসচিব, পররাষ্ট্রসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইন সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের রেজিস্ট্রার আগামী ২১ নভেম্বর জবাব দাখিলের জন্য দিন ঠিক করে দেয় আদালত।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একে এম আমিন উদ্দিন মানিক। অর্থপাচারে সম্রাটসহ আসামিদের সম্পৃক্ততা রয়েছে এমনটি জানিয়ে গত ১৭ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।
বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশের আলোকে এ প্রতিবেদন জমা দেয় সিআইডি।