সরকারি কাজে এআই ব্যবহারের কারণে সরকারের গোপনীয় তথ্য তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে চলে যাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে সব মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ই-গভর্নেন্স-২ শাখা গত মঙ্গলবার সব সচিবদের এই নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।
সরকারি দপ্তরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই টুল ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন শিরোনামে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে সরকারি দপ্তরগুলোতে দাপ্তরিক কার্যক্রমের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআই টুলসের ব্যবহার ক্রমবর্ধমান। এআই টুলস ব্যবহারের মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রমের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেলেও অসতর্ক ব্যবহারের কারণে সরকারি সংবেদনশীল ও গোপনীয় তথ্য অননুমোদিতভাবে প্রকাশ বা তৃতীয় পক্ষের নিকট চলে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
‘এমতাবস্থায়, সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রমে এআই টুলস ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিতকরণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা অবলম্বন এবং এ বিষয়ে প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান ও সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ করা হলো।’
উল্লেখ্য, চ্যাটজিপিটি, জেমিনি বা ক্লড-এর মতো পাবলিক এআই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের ইনপুট করা সব তথ্য তাদের সার্ভারে জমা হয় এবং ভবিষ্যৎ মডেল প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর ফলে সরকারি বা ব্যক্তিগত গোপন নথিপত্র তৃতীয় পক্ষের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালার খসড়া তৈরি করেছে। তবে নীতিমালাটি এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি।