হোম > জাতীয়

জুলাই সনদ নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করবে: আলী রীয়াজ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

অধ্যাপক আলী রীয়াজ। ফাইল ছবি

জুলাই সনদ প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, জুলাই সনদ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে, যেখানে ধর্মীয় বিশ্বাসের জন্য রাষ্ট্র ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির পার্থক্য করবে না। এই সনদ নাগরিক হিসেবে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন।

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রাষ্ট্রীয় আদর্শ হিসেবে থাকা জরুরি মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, গত ৫৪ বছরে ধর্মনিরপেক্ষতার আড়ালে অনেকভাবে অনেক নিপীড়ন করার ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষতার প্রকৃত অর্থ প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদ রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি উল্লেখ করার জন্য অধিকাংশ রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্মত করাতে সক্ষম হয়েছে। তা নিশ্চিত করার সবচেয়ে সহজ গ্যারান্টি হচ্ছে সনদকে গণভোটে বিজয়ী করা। তা হলে রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকবে।

বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধানে বহু ধর্ম ও জাতির কার্যকর স্বীকৃতি নেই জানিয়ে আলী রীয়াজ বলেন, যে কারণে সংবিধানে বাংলাদেশ বহু জাতিগোষ্ঠী, বহুধর্মী, বহুভাষী এবং বহু সংস্কৃতির দেশ, যেখানে সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থান যথাযথ মর্যাদায় নিশ্চিত করার বিষয়ে অধিকাংশ দল একমত হয়েছে। যে দলই ক্ষমতায় যাবে, তারা সংবিধানে যুক্ত করবে। এটা সম্ভব হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে। এ জন্য সবার দায়িত্ব হ্যাঁ ভোটকে বিজয়ী করা।

অতীতে বাংলাদেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের পথ তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল মন্তব্য করেন আলী রীয়াজ।

তিনি বলেন, সেগুলোর জন্য প্রয়োজন সাংবিধানিক স্বীকৃতি। বিরাজমান প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা গেলেই সুবিচার পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। এ জন্য প্রত্যেক ধর্মের সুরক্ষার জন্য প্রত্যেককে কাজ করতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক মানবিক স্বদেশ সৃষ্টির স্বপ্নে আমাদের রক্তাক্ত পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। অনেক হারিয়ে যে সুবর্ণ সুযোগ এসেছে, তার আর হারাতে চাই না। ফ্যাসিবাদের নিষ্পেষণে জর্জরিত রাষ্ট্রকে উদ্ধার করতে প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে ব্যাপক সংস্কার করতে হবে। আর সেই সংস্কারের লক্ষ্যেই আসন্ন গণভোটে হ্যাঁ বলা সময়ের দাবি।’

তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। কিন্তু এত দিন সেই জনগণকেই বঞ্চিত রাখা হয়েছে। বিবেকের তাড়নায় গণভোটে অংশগ্রহণ জরুরি, যেন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ অতীতের মতো না হয়।

রাষ্ট্রপতির নিয়োগ ও দায়িত্ব সম্পর্কে বিশেষ সহকারী বলেন, বিগত সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাতেই সব হতো। সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতি কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্য কোনো সিদ্ধান্ত এককভাবে গ্রহণ করতে পারেন না। অথচ বলা হয়, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়, বিচারব্যবস্থায় বিচারপতি নিয়োগ—এসব রাষ্ট্রপতি কর্তৃক পদায়ন করা হয়। কিন্তু বাস্তবে এগুলো তৎকালীন সরকারপ্রধানের ইচ্ছা অনুসারেই হয়ে থাকে।

সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রসঙ্গে আলী রীয়াজ বলেন, নিজ দলের এমপিদের মুখে স্কচটেপ এঁটে দেওয়ার মতো। এ ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিকাশে বিশাল বাধা। এ ব্যবস্থার উত্তরণে সংস্কার প্রস্তাবে অর্থবিল এবং আস্থা ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে নিজ নিজ দলের অনুগত থাকবে। অন্য বিষয়ে এমপিরা স্বাধীন মতামত প্রদান করতে পারবেন এমন প্রস্তাব করা হয়েছে।

সংসদ ও গণভোট: মোটরসাইকেল ৩ দিন, অন্যান্য যান চলাচল ২৪ ঘণ্টা বন্ধ

জাল সনদ দেখিয়ে প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে চাকরি, ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন

সাবেক এমপি ইলিয়াস মোল্লাহর ফ্ল্যাট-জমি ক্রোক, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

তিন পার্বত্য জেলায় ই-লার্নিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশিদের জন্য ২ মাসের মধ্যে ওমানের ওয়ার্ক ভিসা চালুর আশ্বাস

রাষ্ট্রপতি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন সোয়া ৪ লাখ প্রবাসী

ফ্যাসিস্ট ও সন্ত্রাসীরা দেশ ছেড়ে পালানোয় নির্বাচন ভন্ডুলের শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিরাপদ সড়কে রাজনৈতিক অঙ্গীকার দাবি রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের