হোম > জাতীয়

ভাটারা থানার হত্যা মামলায় আ স ম ফিরোজ ৭ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর ভাটারা থানায় দায়ের হওয়া সোহাগ মিয়া নামে এক কিশোর হত্যা মামলায় জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও টানা আটবারের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। 

আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিকেলে ফিরোজকে আদালতে হাজির করে ভাটারা থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ৭ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর বনানী এলাকার একটি অফিস থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

গত ২০ আগস্ট ভাটারা থানায় দায়ের হওয়া সোহাগ মিয়া নামে এক কিশোর হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সোহাগের বাবা মো. শাফায়াত হোসেন বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯১ জনের নাম উল্লেখ ও ২০০-৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

এই ঘটনার নির্দেশ দাতা হিসেবে আ স মা ফিরোজকে উল্লেখ করে তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে বলেন, এ ঘটনায় আর যারা জড়িত সেই তথ্য উদ্‌ঘাটন এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করার জন্য ফিরোজকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

চলতি বছরের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসন থেকে জয়ী হন তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদের ২৩তম অধিবেশনে এক নম্বর প্যানেল স্পিকার হিসেবে স্পিকারের আসনে বসে সংসদ পরিচালনাও করেছিলেন আ স ম ফিরোজ। এর আগে তিনি চিফ হুইপের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৯ সাল থেকে তিনি বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে টানা ৪৪ বছর দায়িত্ব পালন করেন।

২৯ জানুয়ারি থেকে এক দশক পর ফের চালু হচ্ছে ঢাকা-করাচি ফ্লাইট

পৌনে ৭ লাখ প্রবাসীর কাছে পাঠানো হলো পোস্টাল ব্যালট

পাকিস্তান সফরে বিমানবাহিনীর প্রধান, আলোচনায় জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান ক্রয়

বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দিতে হবে ভিসা বন্ড, নতুন মার্কিন নিয়ম

ভোটের গাড়ি শুধু শহরে, গ্রামের মানুষ জানে না

দ্বিতীয় দিনে ইসিতে ১২২টি আপিল আবেদন

নির্বাচনে এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ে শঙ্কা, ঠেকাতে উদ্যোগ নেই সরকারের: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

আনিসুল-সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ ১২ জানুয়ারি

নির্বাচন-সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণে ১০ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিল ইসি

প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য