হোম > জাতীয়

মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন পি কে হালদার

কলকাতা সংবাদদাতা 

প্রয়াত মা লীলাবতী হালদারের শেষকৃত্য সম্পন্নের জন্য ১৪ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারে অভিযুক্ত পি হালদার ওরফে প্রশান্ত কুমার হালদার। একই কারণে ও সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া হচ্ছে তাঁর ভাই ও মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রাণেশ হালদারকেও। তাঁরা উভয়ই কলকাতার প্রেসিডেন্সি কারাগারে বন্দী রয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ ইডি কোর্ট-১ বিচারক প্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের এজলাসে এ মামলাটি ওঠে। সেখানে আদালত তাঁদের দুই ভাইকেই ১৪ দিনের প্যারোলে মুক্তি দেন।

মানবিক দৃষ্টিতে গত সোমবার মায়ের অন্ত্যেষ্টির জন্য পি কে হালদার ও প্রাণেশ হালদারের হয়ে ১৫ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ মান্না। পাল্টা জামিনের বিরোধিতা করে মাত্র চার দিনের প্যারোলের দাবি জানান ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী। গতকাল মঙ্গলবার পুনরায় শুনানি হয়।

এ প্রসঙ্গে ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, ‘আদালত এদিন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্যারোলে মুক্তি পেলেও কলকাতা পুলিশ কমিশনারেট এবং বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের এখতিয়ারের বাইরে বেরোতে পারবেন না। তাঁরা সর্বক্ষণ জেল কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে থাকবেন। ১৪ দিনের প্যারোলের মেয়াদ শেষে ১৮ জুন আদালতে এসে তাঁদের আত্মসমর্পণ করতে হবে।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘ রোগভোগের পর গত ২৮ মে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালের মৃত্যু হয় লীলাবতী দেবীর। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে কলকাতার বাইপাসের পাশে অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন লীলাবতী হালদার। আপাতত লীলাবতীর মরদেহ সংরক্ষণ করা আছে কলকাতার পিস ওয়ার্ল্ডে।

কিন্তু তাঁর দুই সন্তান এই মামলার অন্যতম দুই অভিযুক্ত পি কে হালদার ও প্রাণেশ কুমার হালদার কারাগারে বন্দী থাকায় এখন পর্যন্ত মায়ের সৎকার সম্ভব হয়নি। ফলে হিন্দুধর্ম মতে, প্রয়াত মায়ের সেই সমস্ত পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কলকাতার আদালতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন জানান তাঁদের আইনজীবী।

প্রয়াত লীলাবতী হালদারের বিরুদ্ধেও বাংলাদেশে এনআরবি গ্লোবাল এবং রিলায়েন্স ফাইন্যান্স দুর্নীতি ও অর্থ পাচার মামলা রয়েছে।

২০২২ সালের ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের রাজারহাটের বৈদিক ভিলেজ, বোর্ড হাউস ১৫, গ্রিনটেক সিটি থেকে পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার করে ভারতের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এ ছাড়া রাজ্যটির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পি কে হালদারের সহযোগী হিসেবে তাঁর ভাই প্রাণেশ হালদার, স্বপন মিস্ত্রি ওরফে স্বপন মৈত্র, উত্তম মিস্ত্রি ওরফে উত্তম মৈত্র, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার এবং আমানা সুলতানা ওরফে শর্মী হালদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইতিমধ্যে কলকাতার নগর দায়রা আদালতে (ব্যাংকশাল) পি কে হালদারসহ ছয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থাকা অর্থ পাচার–সংক্রান্ত আইন-২০০২’ (পিএমএলএ) মামলার শুনানি চলছে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব: চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াত প্রার্থীর আপিল নামঞ্জুর

মানবতাবিরোধী অপরাধ: আনিসুল-সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

গণভোটের সচেতনতায় দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি শুরু সরকারের

ইসরায়েল সমর্থিত ‘সোমালিল্যান্ড’কে প্রত্যাখ্যান করল বাংলাদেশ

প্রার্থীদের তিন ভাগের এক ভাগ তরুণ-যুবা

পোস্টাল ভোট: উড়ে আসা ভোটও হতে পারে কিছু আসনের ফল নির্ধারক

সুপারিশের এক বছর পরও হয়নি স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস

শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব লিকুর স্ত্রীর ১০ তলা ভবন ক্রোক

৪৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ ইসির