জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে কবর থেকে দেহাবশেষ তোলার যে অনুমতি আদালত দিয়েছিলেন, তা বাতিল করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তাঁর আগের দেওয়া নির্দেশ বাতিল করেন।
এ মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আবিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার বাদী সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম দেহাবশেষ তোলার পূর্বের আদেশ বাতিল চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। সেই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত আদেশ প্রত্যাহার করেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ গত ২০ মে আদালতে আবেদন করে সালমান শাহর দেহাবশেষ তোলার অনুমতি চান। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার প্রায় ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে রমনা থানায় হত্যা মামলা হয়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পুনরায় সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রয়োজন।
ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ মে আদালত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে দেহাবশেষ তোলার অনুমতি দেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে গত বছরের ২১ অক্টোবর রমনা থানায় হত্যা মামলা হয়। মামলাটি করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলার এজাহারে ১১ জনকে আসামি করা হয়। অজ্ঞাতনামা আসামিও করা হয় কয়েকজনকে। মামলায় আসামি হিসেবে যাঁদের নামোল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, আলোচিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক আশরাফুল হক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস সাত্তার, সাজু ও রিজভি আহমেদ ফারহাদ।