পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশন। গত শনিবার ভোরে সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানে তাঁদের আটক করে এসটিএফ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে এই অভিযান চালানো হয়। আটক করার পর কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাদের কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। রোববার গ্রেপ্তারকৃতদের বিধাননগর আদালতে তোলা হলে আদালত দুজনকেই ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশের পর আজ সোমবার গোপনীয়তার সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃতদের সল্টলেকে অবস্থিত এসটিএফের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দিনভর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তদন্তকারীদের ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও বড় কোনো চক্র জড়িত থাকতে পারে। সেই কারণেই ধৃতদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের গতিবিধি ও যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় গত কয়েক দিনে তাদের চলাফেরা ও যোগাযোগের বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক পর্যায়েও কিছু তৎপরতা শুরু হয়েছে। ৮ মার্চ কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ উপহাইকমিশন গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির বিষয়ে কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কথা বলতে চান। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলছে।