হোম > জাতীয়

গোপালগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে সহিংসতায় নিহতদের ময়নাতদন্ত কেন হয়নি, ব্যাখ্যা দিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

গোপালগঞ্জে হামলাকারীদের পুলিশের ধাওয়া। ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে ঘিরে সহিংসতায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তরের যে খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়, তা ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য’ বলে দাবি করেছে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, চিকিৎসকেরা চাইলেও নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা রাজি না হওয়ায় মরদেহের ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হয়নি।

আজ রোববার গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেষ বিশ্বাসের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি করা হয়।

গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে ১৬ জুলাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে। একই সঙ্গে চলে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একপর্যায়ে গুলি ছোড়েন বাহিনীর সদস্যরা। এতে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁদের মধ্যে চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

গোপালগঞ্জে সহিংসতায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ময়নাতদন্ত না করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে—এই খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এর প্রতিক্রিয়ায় গতকাল শনিবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গোপালগঞ্জে সহিংসতায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ প্রয়োজনে কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হবে।

এর ঠিক পরদিনই সহিংসতায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ময়নাতদন্ত না হওয়ার ব্যাখ্যা দিল গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

তাদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ জেলায় অপ্রত্যাশিত ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের লাশ ময়নাতদন্ত না করার বিষয়ে কিছু সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নিহত ব্যক্তিদের আত্মীয়স্বজনদের বক্তব্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়, যেখানে উল্লেখ করা হয় যে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে ময়নাতদন্ত না করে লাশ হস্তান্তর করে, বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।

‘প্রকৃত ঘটনা এই যে, উল্লিখিত তারিখে ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর জরুরি বিভাগে প্রথম মরদেহটি আসে, কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণার পর রোগীর স্বজনদের ময়নাতদন্তের কার্যক্রম শেষ করে লাশ নেওয়ার কথা বললে স্বজনেরা উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে জোরপূর্বক লাশ নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অন্য মরদেহগুলোর স্বজনেরা ময়নাতদন্ত করাতে রাজি হয় না এবং হাসপাতালে কর্মরত কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে জোরপূর্বক মরদেহ নিয়ে যায়।

‘উল্লেখ্য, এ সময় উদ্ভূত পরিস্থিতি ও চারদিকে সংঘর্ষ চলমান থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অসহায়বোধ করে। তা ছাড়া আহত লোকজনের চিকিৎসা প্রদানের জন্য চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও অন্যান্য কর্মচারী আত্মনিয়োগ করায় এবং বাইরের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে ঘটনা পুলিশকে মোবাইল ফোনে এবং লিখিতভাবে জানানো হয়।

‘আমরা আশা করি, উল্লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে জনমনে সৃষ্ট ভুল-বোঝাবুঝির অবসান হবে।’

স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করলে সরকারই সবচেয়ে লাভবান হবে: মাহফুজ আনাম

নির্বাচিত সরকার এলেই সাংবাদিকেরা সব পেয়ে যাবেন, এমন ভাবার কারণ নেই: মতিউর রহমান

গণমাধ্যমে আক্রমণ বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ: নূরুল কবীর

গণমাধ্যম সম্মিলন শুরু

ঢাকায় আজ গণমাধ্যম সম্মিলন

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ১৮ জন

বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার অস্তিত্বকে ধারণ করতে হবে: আসিফ নজরুল

ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ পেল ৯৪৭ প্রতিষ্ঠান

পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচনের নতুন তফসিল

যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ পেলেন ওসমান হাদির ভাই ওমর