স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে বিধিমালা সংশোধন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিধিমালা চূড়ান্ত করার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেবে ইসি। এ জন্য দলগুলোকে চিঠি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের মতামতের জন্য বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হবে।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, তাঁর ব্যক্তিগত ধারণা, বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে, মিডিয়ায় জানানো হবে, রাজনৈতিক দলগুলোকে চিঠি দেওয়া হবে। এর আগে কমিশন সভা হবে। অতীতেও এভাবেই হয়েছে।
কমিশন সভা কবে হবে, জানতে চাইলে আখতার আহমেদ জানান, কমিশন সভার সঠিক সময় তিনি বলতে পারছেন না। এই সপ্তাহের শেষে অথবা আগামী সপ্তাহে হবে বলে তাঁর ধারণা।
ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আচরণবিধি চূড়ান্ত হয়েছে কি না, জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, খসড়া পর্যায়ে এটা ঠিকঠাক করা হয়েছে। বাকিটুকু কমিশন অনুমোদন করলে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, দলীয়ভাবে স্থানীয় নির্বাচন হবে না। ওই অংশটুকু বাদ যাচ্ছে। আইনের ধারাবাহিকতায় সংশোধন লাগছে।
এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত বাড়বে। একেক স্থানীয় নির্বাচনে একেক হারে বাড়বে। কোনোটিতে পাঁচ হাজার টাকা, কোনোটিতে এক হাজার টাকা, কোনোটিতে ১০ হাজার টাকার বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। স্থানীয় নির্বাচনের সময় জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের তারিখের ৪৫ দিন আগে তফসিল হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্ভর করে স্থানীয় সরকার বিভাগের ওপর। অক্টোবরের কথা যদি মন্ত্রী বলেন, তাহলে তাঁর বলার কিছু থাকে না। তিনি কমিশনের পক্ষ থেকে বলতে পারেন, এখনো তাঁদের কাছে কোনো চিঠি আসেনি।
গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক দলের সদস্য এবং যাঁদের বিরুদ্ধে মামলাও আছে, তাঁরা কি ভোটে অংশ নিতে পারবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, আইনগতভাবে যেখানে নিষেধাজ্ঞা আছে, যাঁদের নামে মামলা আছে, অভিযোগপত্রভুক্ত, তাঁদের ক্ষেত্রে একধরনের, কিন্তু বলা যেতে পারে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তো স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না, তাহলে এখানে কেন হবে।