হোম > জাতীয়

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, বিভিন্ন জেলায় শতাধিক আটক

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সরবরাহ করার আশ্বাস দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে রাজশাহীতে ছয়জন গ্রেপ্তার। ছবি: আজকের পত্রিকা

দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা। আজ শুক্রবার বেলা ৩টা থেকে একযোগে দেশের ৬১ জেলায় এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে বিভিন্ন জেলায় শতাধিক আটকের খবর পাওয়া গেছে। বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে—

গাইবান্ধায় ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ আটক ৫২

গাইবান্ধায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে নারীসহ ৫২ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টাব্যাপী লিখিত পরীক্ষাকালে জেলার বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যরা তাঁদের আটক করেন। এ সময় আটক পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ব্লুটুথ ইয়ার ডিভাইসসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গাইবান্ধায় ৪৩টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এসব কেন্দ্রের মধ্যে ২৪টি থেকে ৫২ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ জন পরীক্ষার্থী আটক হন গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা আব্দুল কাইয়ূম হাইস্কুল কেন্দ্র থেকে।

গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লক্ষ্মণ কুমার দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করার সময় জেলার ২৪টি পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ৫২ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও ব্লুটুথ ইয়ার ডিভাইস পাওয়া গেছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নারী পরীক্ষার্থীও রয়েছেন। নাম-ঠিকানা নিয়ে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পটুয়াখালীতে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী আটক

পটুয়াখালীতে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ এক পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজ বিকেল পৌনে ৪টার দিকে পটুয়াখালী পৌরসভার প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) ভবনের একটি কক্ষে পরীক্ষা চলাকালে সন্দেহজনক আচরণের কারণে ওই পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। আটক পরীক্ষার্থীর নাম মোসা. সুমাইয়া বেগম (২৫)। তিনি কলাপাড়া উপজেলার লোন্দা এলাকার বাসিন্দা মো. নূরুল ইসলামের মেয়ে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব রায়হান বলেন, পটুয়াখালী জেলায় এবারের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় এই একজন পরীক্ষার্থীই অবৈধ ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ আটক হয়েছেন। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নওগাঁয় প্রশ্নফাঁস চক্রের দুই সদস্যসহ আটক ১৮

নওগাঁয় প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের দুজনসহ ১৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ ১১টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৩৭ হাজার ৯৪৮ টাকা জব্দ করা হয়। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

এর আগে দিনভর শহরের দুটি আবাসিক হোটেল ও বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), পুলিশ ও জেলা প্রশাসন এসব অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের আটক করে।

সংবাদ সম্মেলনে এসপি তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আজ শুক্রবার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। এই নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে একদল প্রতারক চক্র তৎপর হয়ে ওঠে। গোপন সূত্রে আমাদের কাছে সংবাদ আসে একজন প্রতারক কিছু পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকাপয়সা নিয়ে নওগাঁ শহরে অবস্থিত পোরশা রেস্ট হাউসে কয়েকজন পরীক্ষার্থী নিয়ে অবস্থান করছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের হোতা আহসান হাবিব ও তার সহযোগী মামুনুর রশিদকে আটক করা হয়।’

এসপি বলেন, এ সময় হাবিবের মোবাইলে ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপে পরীক্ষার নমুনা প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। ওই আবাসিক হোটেলের অন্যান্য কক্ষে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী আতাউর রহমান, ফারুক হোসেনকে আটক করা হয় এবং তাঁদের মোবাইল ফোনেও পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। অপর আরেকটি কক্ষ থেকে পরীক্ষার্থী সারোয়ার এবং তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী আবু সাঈদকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আহসান হাবিব জানায় তিনি প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা নেবেন মর্মে চুক্তি করেন। সে চুক্তি মোতাবেক পরীক্ষার্থী আতাউর রহমান ও ফারুকের কাছ থেকে এক লাখ করে মোট দুই লাখ টাকা নেন এবং পরীক্ষার্থী হাবিবুরের বাবা ফারাজুলের কাছ থেকে অগ্রিম ৩০ হাজার টাকা নেন।

এসপি আরও বলেন, পরে শহরের হোটেল নীলসাগরে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী রেহান জান্নাতকে আটক করা হয়। তাঁর মোবাইল ফোনেও ভুয়া প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, তাঁর দুলাভাই (স্বামীর খালাতো বোনের স্বামী) মোহাম্মদ সাজ্জাদুল হক শালু তাঁকে ছয় লাখ টাকার মৌখিক চুক্তিতে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেন। এ ছাড়া মহাদেবপুরে একজনকে এবং শহরের বিভিন্ন কেন্দ্রে অসৎ উপায় অবলম্বন করে আধুনিক ডিভাইসের সাহায্যে পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগে সদর থানা-পুলিশ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আটজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত সকলের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুশফিকুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ডিবি) হাবিবুল্লাহ হাবিব, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নিয়ামুল হকসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুড়িগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ আটক ১১

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ প্রশ্নফাঁস চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনসহ ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। আজ দুপুরে আলাদা অভিযানে উপজেলা শহরের কাজী মার্কেটের পেছনের একটি বাসা এবং থানা এলাকা থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশ। তবে উদ্ধার হওয়া প্রশ্নপত্রের ফটোকপির সঙ্গে পরীক্ষায় ব্যবহৃত প্রশ্নপত্রের মিল রয়েছে কি না তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার নাম মিনারুল ইসলাম। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। বাকিদের পরিচয় শুক্রবার বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। এঁদের মধ্যে প্রকৃত এবং ভুয়া পরীক্ষার্থী (প্রক্সি) রয়েছে।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘অভিযুক্ত ও আটক মিনারুল ইসলাম আমাদের কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি একই সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।’

ঘটনার পর নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে যান পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি। তিনি বলেন, ‘আটকদের মধ্যে পরীক্ষার্থী এবং প্রক্সি পরীক্ষার্থী রয়েছে। আটক সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রাজশাহীতে শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৬

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সরবরাহ করার আশ্বাস দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে রাজশাহীতে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বোয়ালিয়া থানা-পুলিশের আলাদা দুটি দল নগরের উপশহর এবং মালোপাড়া এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার মাকলাহাট গ্রামের মো. আল মামুন (৪২), একই গ্রামের আনজুয়ারা খাতুন (২৫), নওগাঁর মান্দা উপজেলার দাওই গ্রামের রায়হান কবির (৩০), আত্রাই উপজেলার হাটকালুপাড়া গ্রামের নয়ন আলী (২৭), নওগাঁ সদরের চক সুখদা গ্রামের জুলফিকার আলী (৪০) ও রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার নোনাভিটা গ্রামের মাহবুব আলম (৪৬)।

আজ বিকেলে আরএমপির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এদিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ছিল। এই পরীক্ষায় চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার জন্য এঁরা নিজেদের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়েছিলেন। প্রার্থীদের প্রশ্নপত্র সরবরাহের আশ্বাস দিয়ে তাঁরা তাঁদের কাছ থেকে স্বাক্ষরিত ব্যাংকের ফাঁকা চেক, স্বাক্ষরযুক্ত ফাঁকা স্ট্যাম্প এবং প্রার্থীদের প্রবেশপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নিয়েছেন।

তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের ১২টি স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক, ২১টি স্টাম্প এবং সাতটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত কয়েকজন আসামি আছেন। তাঁদেরও শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। আসামিদের মধ্যে রায়হান অসুস্থ। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকিদের আদালতে তুলে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

দিনাজপুরে ডিভাইসসহ ১৬ জন আটক

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে দিনাজপুরে ডিভাইসসহ ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে জেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে তাঁদের আটক করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত তাঁদের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

যেসব কেন্দ্রে ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী আটক হয়েছেন, কেন্দ্রগুলো হলো—ক্রিসেন্ট কিন্ডারগার্টেন গার্লস হাইস্কুলে দুজন, দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে একজন, কাদের বক্স মেমোরিয়াল কলেজে দুজন, দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে একজন, দিনাজপুর উচ্চবিদ্যালয়ে একজন, দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজে একজন, দিনাজপুর জুবিলী উচ্চবিদ্যালয়ে একজন, দিনাজপুর মিউনিসিপাল হাইস্কুলে একজন, দিনাজপুর নূরজাহান কামিল মাদ্রাসায় চারজন, দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে একজন এবং কেরি মেমোরিয়াল হাইস্কুলে একজন।

দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এস এম হাবিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এসব ঘটনায় যারা জড়িত, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের চিহ্নিত করে আটক করার প্রক্রিয়া চলছে।

পঞ্চগড়ে ইলেকট্রনিকস ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী আটক

পঞ্চগড়ে ইলেকট্রনিকস ডিভাইসসহ রুবিনা আক্তার (৩২) নামে এক পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে ডক্টর আবেদা হাফিজ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে ওই পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে তুলে দেন কেন্দ্রসচিব। রুবিনা পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদীঘি ইউনিয়নের দফাদারপাড়া এলাকার আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ডক্টর আবেদা হাফিজ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন রুবিনা আক্তার। এ সময় তাঁর কান থেকে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়। তাঁকে বহিষ্কার করে পুলিশের সহযোগিতায় কেন্দ্রসচিবের কক্ষে নিয়ে যান কক্ষ পরিদর্শক। পরে কেন্দ্রসচিব ওই পরীক্ষার্থীকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তুলে দেন।

টাঙ্গাইলে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে র‌্যাব-১৪-এর কোম্পানি কমান্ডার কাওসার বাঁধন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর থানার কালমেঘা গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে মো. বেল্লাল হোসেন (৩৩), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসনিক (শিশুকল্যাণ) অফিস সহকারী ও টাঙ্গাইলের নলশোধা গ্রামের মৃত কুব্বাত আলীর ছেলে জয়নাল আবেদীন (৫২), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আশেকপুর এলাকার মৃত রজব আলীর ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৫২), দেলদুয়ার উপজেলার কামার নওগাঁ গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে মো. আল আমিন (২৮) এবং রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলার চর লক্ষ্মীপুর গ্রামের অনন্ত ব্যানার্জীর ছেলে অপূর্ব ব্যানার্জী (৪৩)।

র‌্যাব-১৪-এর কোম্পানি কমান্ডার কাওসার বাঁধন জানান, তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের মোবাইলে বিভিন্ন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রশ্নপত্র বিনিময় এবং চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আদান-প্রদানের কথোপকথনসহ বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। পরে প্রশ্নপত্র ফাঁস-সংক্রান্ত প্রতারক চক্রের কাছ থেকে ব্ল্যাংক চেক, স্ট্যাম্প পেপার, প্রার্থীর প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র এবং প্রার্থীর আসল সার্টিফিকেট জব্দ করা হয়েছে।

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭ হাজার ৩৫৯, ৩৬ শতাংশ মোটরসাইকেল আরোহী

আগামী সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: সিপিডি

গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের মার্কিন দূতাবাসমুখী মিছিলে পুলিশের বাধা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের ‘বড় সাফল্য’: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

গাজায় ট্রাম্প বাহিনীর অংশ হতে চায় বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রকে জানালেন খলিলুর

বাংলাদেশিদের জন্য বি-১ ভিসা বন্ড পুনর্বিবেচনার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারা

মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল শুনানি শুরু

যমুনায় নতুন সড়কসেতু: সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু

জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ৭৬% প্রার্থী উচ্চশিক্ষিত