দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সবার আগে খুলে দিতে চায় সরকার। পাশাপাশি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাও রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা যেহেতু অল্প জায়গায় অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী অবস্থান করছে তাই তাঁদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গত জুলাইয়ের প্রথম থেকে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। এসব শিক্ষার্থীদের টিকাদান সম্পূর্ণ হলেই খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়।
এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিকার জন্য নিবন্ধন করা ১ লাখ ৭৯ হাজার ২৬১ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭৯ হাজার ৯১৪ জন শিক্ষার্থী টিকার ১ম ডোজ এবং ৬ হাজার ৭২ জন শিক্ষার্থী টিকার ২য় ডোজ নিয়েছেন বলে গত শনিবার জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এর মধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজার আবাসিক হলের শিক্ষার্থী রয়েছেন।
গতকাল (বুধবার) রাতে এক সাক্ষাৎকারে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা ভ্যাকসিনের আওতায় আসলেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দিতে পারবো। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের টিকা প্রায় দেওয়া হয়ে গেছে। তাঁদের দেওয়া হলে আমরা আস্তে আস্তে খোলার দিকে যেতে পারি। কারণ স্কুল-কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে স্বাস্থ্যবিধি মানা অনেক সহজ। স্কুলের ক্লাস সাইজের কারণে বাচ্চাদের স্বাস্থ্যবিধি মানাতে একটু সমস্যা হবে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষেত্রে সেটা একটু সুবিধা আছে ৷ সে জন্য আশা করছি সবার আগে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে ৷
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের তালিকা আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে তাই তাঁদের টিকা নিতে সমস্যা নাই। তবে এখন ২৫ বছর পর্যন্ত টিকা নেওয়ার সর্বনিম্ন বয়স থাকলেও শিগগিরই তা ১৮ পর্যন্ত নামিয়ে আনা বলেও তিনি জানান।