প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে কে কার নাম প্রস্তাব করেছে—সেই তথ্য না জানানোর সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এই সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। তথ্য কমিশন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ জুন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার বিশিষ্ট নাগরিক রিটটি করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। সঙ্গে ছিলেন সাইফুল আলম চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।
নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে প্রস্তাবকারীদের তথ্য চেয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অধিকার অধিশাখায় আবেদন করেছিলেন বদিউল আলম মজুমদার। তবে সেখান থেকে অপারগতা প্রকাশ করলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করেন তিনি। নির্ধারিত সময়ে সেখানেও জবাব না পেয়ে তথ্য কমিশনে অভিযোগ করেন বদিউল আলম। তবে গত ৭ জুন অভিযোগ খারিজ করে দেয় তথ্য কমিশন। এরপর হাইকোর্টে রিট করেন সুজন সম্পাদক।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য গত ৫ ফেব্রুয়ারি ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্নভাবে ৩২২ জনের নামের প্রস্তাব আসে কমিটির কাছে। নামগুলো প্রকাশ করা হলেও প্রস্তাবকারীদের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।