জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিন মন্ত্রীর অনুপস্থিতির কারণে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাঝপথে স্থগিত করে দেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। আজ বুধবার আসরের বিরতির পর অধিবেশনের শুরুতে এ কার্যক্রম স্থগিত করেন তিনি।
সংসদ অধিবেশনে দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরের পর মন্ত্রীদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর শুরু হয়। যেখানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও শিল্প মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের প্রশ্নোত্তর ছিল।
তবে আসরের বিরতির আগে এই তিন মন্ত্রী সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
আসরের বিরতির পরে ৫টা ২৬ মিনিটের দিকে ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। ডেপুটি স্পিকার সভাপতির আসনে বসে দুই মিনিট নীরব ছিলেন। এ সময় তিনি মন্ত্রীদের আসনে তাকিয়ে থাকেন।
৫টা ২৮ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এখন যেহেতু মাননীয় মন্ত্রীদের কাছে প্রশ্ন-জিজ্ঞাসা ও উত্তর। দুঃখজনকভাবে যেসব মন্ত্রী মহোদয়ের জন্য প্রশ্ন ছিল, তারা কেউ এ হাউসে উপস্থিত নেই। যে কারণে আমরা প্রশ্নোত্তর পর্বটা এখানে সমাপ্ত ঘোষণা করছি। পরবর্তী কার্যবিধি ৭১-এর জনগুরুত্ব কার্যবিধি সম্পর্কে যাচ্ছি।
যদিও পরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে উপস্থিত হতে দেখা গেছে।
এর আগে বেলা দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। সেখানে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরের জন্য ৩০ মিনিট বরাদ্দ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর শেষে মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর শুরু করেন স্পিকার। আসরের বিরতির আগে সর্বশেষ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন একাধিক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তর দেন। এর আগে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরও একাধিক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন। পরে আসরের বিরতি ঘোষণা করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, আসরের বিরতির পর আবার প্রশ্নকালের অবশিষ্ট অংশ চালু হবে।