চট্টগ্রামের হালিশহরে এক বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ নয়জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।
আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে নগরীর হালিশহরের এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের ৩য় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
দগ্ধরা হলেন— মো. সাখাওয়াত হোসেন (৪৬), ছেলে শাওন (১৬), মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা (১০), সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন (৪০) স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫), মেয়ে আয়েশা (৪) ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস (৬) এবং সাখাওয়াতের আরেক ছোট ভাই শিপন হোসেন (৩০)। মৃত নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী।
দগ্ধ সাখাওয়াতের চাচাতো ভাই মো. মিলন জানান, তাঁদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার বাগমারা গ্রামে। সাখাওয়াত হোসেন হালিশহরে মোটরপার্টসের ব্যবসা করেন। তাঁর ভাই সুমন পর্তুগাল প্রবাসী। চলতি মাসের ৪ তারিখে দেশে আসে। ১৮ তারিখ চট্টগ্রামে সাখাওয়াতের বাসায় সুমন পরিবার নিয়ে ডাক্তার দেখাতে আসে। আরেক ছোট ভাই শিপন হালিশহরেই থাকে।
মিলন আরও জানান, ভোরে তাঁরা সেহরি খান। এর কিছুক্ষণ পরপরই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস থেকে জানতে পেরেছি, জমা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে।’
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, চট্টগ্রাম থেকে নয়জন দগ্ধ রোগী ইনস্টিটিউটে এসেছে। এর মধ্যে নুরজাহান আক্তার রানী নামে একজনকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। বাকি ৮ জনের মধ্যে মো. সাখাওয়াত হোসেনের ১০০ শতাংশ, শাওনের ৫০ শতাংশ, মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, সামির আহমেদ সুমন ৪৫ শতাংশ, আশুরা আক্তার পাখি ১০০ শতাংশ, আয়েশা ৪৫ শতাংশ, ফারহান আহমেদ আনাসের ৩০ শতাংশ, এবং শিপনের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।