সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে সম্মিলিত প্রস্তাব আনা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘বর্তমানে সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে আমাদের ও বিরোধী দলের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য আছে, তবে আমরা সবাই ঐকমত্যে আসব এবং সম্মিলিতভাবে প্রস্তাব আনব।’
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের টানেলে গণমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখা এবং দেশের গঠনমূলক উন্নয়নে কাজ করা। সংসদে আমরা আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমেই সমৃদ্ধ হতে চাই এবং দেশপ্রেমের জায়গা থেকে ঐকমত্যে পৌঁছানো এখন সময়ের ব্যাপার।’
গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবরের পাশাপাশি ইতিবাচক খবরগুলোও তুলে ধরা উচিত মন্তব্য করে চিফ হুইপ বলেন, চট্টগ্রামে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের বন্ধ হওয়ার সংবাদটি গুরুত্বসহকারে মিডিয়ায় প্রচারিত হয়েছে। এই সংবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত ২ লাখ টন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ ঘাটে নোঙর করার সংবাদটিও প্রচার হওয়া উচিত ছিল।
চিফ হুইপ আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে দেশের সার্বিক কল্যাণে কাজ করছেন। মানবিক কল্যাণ, মানবিক রাষ্ট্র গঠন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাজ করার পাশাপাশি তিনি সব ক্ষেত্রে বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
কর্মসংস্থান তৈরিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা অনেকগুলো ভাষায় মানুষকে শিক্ষিত করতে চাই, যাতে আমাদের দক্ষ মানুষ তৈরি হয়। মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করার জন্য আরবি, চীনে কাজের জন্য মান্দারিন, ইতালিতে ইতালিয়ান ভাষা, কোরিয়ায় কোরিয়ান এবং জাপানে কাজের জন্য জাপানিজ ভাষা শিখতে হবে। তবে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি একটি বৈশ্বিক ভাষা। শিক্ষামন্ত্রী সারা দেশ ঘুরে এ বিষয়ে একটি নির্দেশিকা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রদান করবেন।’