হোম > জাতীয়

মানিক পশারীর দাফনে বাধার ঘটনায় ২৮ নাগরিকের উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রতীকী ছবি

পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফন ও গার্ড অব অনারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা কর্মীদের বাধার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন ২৮ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

আজ শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর গার্ড অব অনার ও দাফনকে কেন্দ্র করে পিরোজপুরে সৃষ্ট পরিস্থিতি অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত ও নিন্দনীয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, প্রথমবার কবর খোঁড়ার পর স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা সেটি ভরাট করে দেন। পরবর্তীতে রাত ২টার পর মানিক পশারীর মেয়ে ও দুই বোন গ্রাম পুলিশের সহায়তায় মোবাইল ফোনের আলোয় আবার কবর খুঁড়ে মৃত্যুর প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁকে দাফন করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার শেষ বিদায়কে ঘিরে এমন পরিস্থিতি আমাদের রাষ্ট্র, সমাজ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর প্রশ্ন ও উদ্বেগের জন্ম দেয়। ...কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর দাফনের অধিকার তাঁর মৌলিক মানবাধিকার। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এমনকি রাষ্ট্রও এ অধিকার লঙ্ঘন করতে পারে না।’

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘স্বাধীনতার বিরোধিতা করা দল কোনো পর্যায়ে ঠিক করে দিতে পারে না কে মুক্তিযোদ্ধা আর কে নন। যে দলটি একাত্তর সালে শুধু স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাই করেনি, যার নেতাদের অনেকের বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দালিলিকভাবে প্রমাণিত এবং তারা আজ পর্যন্ত সেই অপরাধের দায় স্বীকার বা মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতার জন্য ন্যূনতম প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেনি। মানিক পশারীর সঙ্গে যে কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তা ফৌজদারি অপরাধের শামিল। যারা এ ধরনের ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে উপযুক্ত কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।’

পিরোজপুরের জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর মরদেহে গত ২৪ অক্টোবর রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো এবং দাফনে জামায়াতে ইসলামীর নেতা কর্মীরা বাধা দেন বলে অভিযোগ তোলেন স্বজনরা। পরে পিরোজপুর জেলা পুলিশের সহায়তায় মরদেহ পুলিশ লাইনসে নিয়ে সেখানে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর ওই দিন রাত ২টায় পুলিশ পাহারায় নিজ গ্রামে পশারীকে দাফন করা হয়।

মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল, নিজেরা করি’র সমন্বয়কারী খুশী কবির, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান; আইনজীবী জেড আই খান পান্না, সুব্রত চৌধুরী ও সালমা আলী; মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, এএলআরডি’র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা, অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, অধ্যাপক, ড. তানজীমউদ্দিন খান, অধ্যাপক ড. জোবাইদা নাসরীন, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, লেখক ও গবেষক রেহনুমা আহমেদ, মানবাধিকারকর্মী মো. নুর খান, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা প্রমুখ বিবৃতিতে সই করেছেন।

ডিজে পার্টি-কাণ্ডে সেই অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত

চাকরি হারালেন ডিবির হারুন অর রশিদসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তা

আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ

বিমানের নামে ভুয়া নিয়োগ ফরম, অর্থ-ব্যক্তিগত তথ্য লেনদেনে বিরত থাকার আহ্বান

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা

শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠন ও কার্যক্রম শুরু ১ নভেম্বর: শ্রমমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারি সুদৃঢ় হয়েছে: হুমায়ুন কবির

জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার ও বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ