বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে গত আগস্ট মাসে মিয়ানমারের ৫৪৬ জন নাগরিককে (যাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা) আটক করে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই মাসে সীমান্তে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্য, অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, গত মাসে তাদের অভিযানে মোট ১৭৭ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে সোনা, রুপা, তৈরি পোশাক, থান কাপড়, কসমেটিকস, ইমিটেশন গয়না, আতশবাজি, কাঠ, চা-পাতা, সুপারি, সার, কয়লা, সুতা, যানবাহনের যন্ত্রাংশ, পেঁয়াজ, রসুন, চিনি, বীজ, চকলেটসহ বিপুল পরিমাণ ভোগ্যপণ্য।
অস্ত্রের মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে তিনটি দেশি-বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলবার, একটি এসএমজি, তিনটি রাইফেল, ১৬টি ম্যাগাজিন ও ৮১৫ রাউন্ড গুলি।
এ ছাড়া উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ১২ লাখ ৩৭ হাজার পিস ইয়াবা, সাড়ে ৪ কেজি হেরোইন, ৭ হাজার ৮৮৮ বোতল ফেনসিডিল, ৯ হাজার ৫২৫ বোতল বিদেশি মদ, ১৬৭ লিটার বাংলা মদ, ৫৭৭ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৫৪৮ কেজি গাঁজা, ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৯৮ প্যাকেট বিড়ি-সিগারেট, ২০২ কেজি তামাকপাতা, ২০ বোতল এলএসডি, প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার নেশাজাতীয় ট্যাবলেট/ইনজেকশন, ৪ হাজার ১৪৫ বোতল ইস্কাফ সিরাপ, ২০ হাজার ৭২০টি অ্যানেগ্রা/সেনেগ্রা ট্যাবলেট এবং ১৮ লাখের বেশি অন্যান্য ট্যাবলেট ও ওষুধ।
বিজিবির অভিযানে ২০৯ জন চোরাচালানকারীকে আটক করা হয়। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করায় ১৬০ জন বাংলাদেশি ও ১১ জন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।