বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বেশির ভাগ কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দিতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। বিশেষ পরিস্থিতিতে গঠিত ওই সরকারের দু–একটা কর্মকাণ্ড বৈধতা পাবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
গণভোট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুসারে সাংবিধানিকভাবে যে গণভোট এই গণভোট (১২ ফেব্রুয়ারির) সেই গণভোট না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার রাজনৈতিক বক্তব্যটা বলছি, গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং গণভোটের বৈধতা প্রশ্ন সেটা যখন আমরা এই সরকারের অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের সমস্ত বিষয়াবলী যখন আমরা লেজিটেমেসি দেব সাংবিধানিকভাবে, চতুর্থ তফসিলে তখন তাদের এই সমস্ত কর্মকাণ্ড বৈধতা পেয়ে যাবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী গণভোট হয়েছে এবং সেই গণভোটের বৈধতাও রয়েছে। এ জন্য নতুন করে ওই অধ্যাদেশকে আইন করার প্রয়োজন নেই। কারণ ওই আইনের আলোকে তো গণভোট হবে না। যদি গণভোট করতে হয় তখন সাংবিধানিকভাবে অথবা সংবিধানের বাইরে গণভোট করতে হলে আলাদা একটা আইন পাস করতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, (গণভোট নিয়ে বিরোধীদলের) হুমকি দেওয়ার কোনো বিষয় নাই, বৈধতা তো আছেই, অবৈধ তো বলছি না। সুতরাং চতুর্থ তফসিলে যখন বিগত সরকারের সকল কর্মকাণ্ডকে দু–একটা বাদে বৈধতা দেওয়া হবে, তখন সেটা লেজিটিমেট হয়ে যাবে।’