ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, অংশগ্রহণমূলক এবং সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সেনাসদস্য, দেড় লাখ পুলিশ সদস্য ও সাড়ে পাঁচ-ছয় লাখ আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
ইসি সচিব আরও বলেন, সংসদ নির্বাচনে ভোটে আগে-পরে আট দিন মাঠে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা— এই প্রস্তাব এসেছে।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো উদ্বেগ নেই বলেও জানান তিনি।
ভোট প্রস্তুতির মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে এ এম এম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন ইসির প্রথম বৈঠক। এতে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বৈঠকটি শুরু হয়।
বৈঠকে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, মহাপুলিশ পরিদর্শক বাহারুল আলম, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কোস্ট গার্ড, আনসার ও ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি, র্যাব এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), সিআইডির প্রতিনিধি, মহাপরিচালক রয়েছেন।
রোজার আগে ফেব্রুয়ারি প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজন করবে সাংবিধানিক এ সংস্থাটি। এ লক্ষ্যে আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ‘সংলাপ পর্ব’ শুরু করে ইসি। ৬ অক্টোবর গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং ৭ অক্টোবর নারী নেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সংলাপ করে কমিশন। এ ধারাবাহিক সংলাপের মধ্যে এবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।