হোম > জীবনধারা > ভ্রমণ

নির্দিষ্ট সময়ে বিমানের আলো কেন নেভানো হয়

ফিচার ডেস্ক

উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় কেবিনের লাইট বা ভেতরের আলো কমিয়ে দেওয়া কোনো নান্দনিক বা সাজসজ্জার বিষয় নয়। এর পেছনে রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিমান নিরাপত্তার কৌশল।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা উড্ডয়ন ও অবতরণের এই সময়কে বিমানের সবচেয়ে ‘ঝুঁকিপূর্ণ বা ক্রিটিক্যাল ফেজ’ বলে মনে করেন। কারণ, পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বেশির ভাগ দুর্ঘটনা এই সময়ে ঘটে। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে জরুরি উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হলে মানব চোখের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। হিউম্যান বায়োলজি অনুযায়ী, হঠাৎ আলো থেকে অন্ধকারে গেলে মানুষের চোখ মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় নেয়। কিন্তু জরুরি পরিস্থিতিতে প্রতিটি সেকেন্ড মূল্যবান। উড্ডয়ন বা অবতরণের আগে আলো কমিয়ে রাখা হলে যাত্রীদের চোখ আগে থেকে বাইরের অন্ধকারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়। ফলে জরুরি অবস্থায় তাঁরা দ্রুত এক্সিট সাইন, লাইটিং পাথওয়ে এবং ক্রুদের নির্দেশনা দেখতে পারেন। এ ছাড়া আলো কমানোর ফলে জানালা দিয়ে বাইরের পরিবেশ বা রানওয়ে পরিষ্কার দেখা যায়, যা কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।

এফএএ এবং ইএএসএর মতো বৈশ্বিক বিমান সংস্থাগুলোর নিয়ম অনুযায়ী, আপৎকালীন মুহূর্তে মাত্র ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে বিমান খালি করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই এই সামান্য আলো কমানোর সিদ্ধান্তই জীবন ও মৃত্যুর মাঝে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

যে গ্রামে পর্যটকদের রোববার প্রবেশ নিষেধ

সূর্যোদয়ের দেশে

সাপা: এক পরাবাস্তব শহরের গল্প

পর্যটনে প্রথম প্রান্তিক কাটল যেভাবে

সাঙ্গুর বুকে রাজা পাথর: পাহাড়, নদী আর ঝরনার অনন্য মেলবন্ধন

বর্ষায় বেড়ানোর দারুণ সব জায়গা

কাউটিয়ার শতবর্ষী বটগাছ

বর্ষাকালে বেছে নিন সঠিক জুতা

পর্যটকদের জন্য নতুন আচরণবিধি করছে দুবাই

এশিয়ার ৫ ‘সিক্রেট আইল্যান্ড’