কারিনা কাপুর একদিকে যেমন ভীষণ ফিটনেস-সচেতন, অন্য়দিকে দারুণ ভোজনরসিক। জনসমক্ষে খাবারের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করতে কখনোই দ্বিধা করেন না এই তারকা। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন, জিরো-ফিগার হওয়ার চেয়ে তিনি বরং আলু পরোটা খেতেই বেশি পছন্দ করেন! এই অভিনেত্রী বারবার তাঁর প্রিয় খাবারের কথা জানিয়েছেন, যেগুলোর বেশির ভাগই সাধারণ ভারতীয় খাবার। একটি সাক্ষাৎকারে, ‘ক্রু’ ছবির এই অভিনেত্রী জানান, তিনি প্রায় রবিবারই সিন্ধি কারি খান। কী করে রান্না হয় এই খাবার, জানতে চান? তাহলে, চলুন রান্না শুরু করা যাক।
তেল ৪ টেবিল চামচ, জিরা ১ টেবিল চামচ, সর্ষের দানা, মেথির দানা ১ চা-চামচ, বেসন দেড় কাপ, কারিপাতা ১০ থেকে ১২টি, হিং, গরম পানি ২ লিটার, হলুদগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, আদাকুচি ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ স্বাদমতো, কাশ্মীরি লালমরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, পিউরি তৈরির জন্য ৩টি মাঝারি আকারের টমেটো, চার টুকরো করে কাটা মাঝারি আকারের আলু ৩টি, ছোট করে কাটা বরবটি এক আঁটি, বেগুন ২টি, ঢ্যাঁড়স ১০ থেকে ১২টি, তেঁতুলের ক্বাথ ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো। সহজলভ্য হলে এতে অল্প পরিমাণে ফুলকপি ও শজনে ডাঁটাও ব্যবহার করা যায়।
চুলায় উচ্চ তাপে কড়াই গরম করুন। তেল গরম হয়ে গেলে ১ টেবিল চামচ জিরা আর ১ চা-চামচ মেথি দিন। এগুলো ভালোভাবে নেড়ে ভেজে নিন। এবার বেসন দিন এবং কম আঁচে ভালোভাবে নাড়তে থাকুন, যতক্ষণ না বেসনের রং হালকা সোনালি হয়ে আসে। এরপর কারিপাতা দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার এক লিটার গরম পানি ধীরে ধীরে ঢালুন এবং নাড়তে থাকুন, যাতে বেসনের দলা তৈরি না হয় আর মিশ্রণটি মসৃণ হয়। এবার আরও এক লিটার পানি দিয়ে স্বাদমতো লবণ দিন। এরপর হলুদ ও কাশ্মীরি লাল মরিচের গুঁড়া, আদাকুচি এবং লম্বা করে চিরে নেওয়া কাঁচা মরিচ দিন। নেড়েচেড়ে তিনটি মাঝারি আকারের টমেটো দিয়ে পেস্ট তৈরি করে গ্রেভিতে দিন। বেশি আঁচে গ্রেভি ভালোভাবে নাড়ুন এবং ফুটিয়ে নিন। বরবটি ও আলু দিয়ে নেড়ে কড়াইয়ের ওপর ঢাকনা দিয়ে দিন।
ঘন হয়ে আসা পর্যন্ত অল্প আঁচে রান্না করুন। অন্য একটি কড়াইতে ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে গরম করে নিন। এবার আগা ও ডগা কেটে ঢ্যাঁড়সগুলো দিয়ে দিন। ৩ থেকে ৪ মিনিট ভাজুন। ভাজা ঢ্যাঁড়সগুলো তৈরি হতে থাকা গ্রেভিতে দিয়ে দিন। গ্রেভির রং পরিবর্তন হয়ে এলে এবং সবজিগুলো নরম হয়ে এলে তেঁতুলের ক্বাথ দিয়ে দিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল সিন্ধি কারি। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।