বিকেলের অলস আড্ডা কিংবা চায়ের সঙ্গে একটু মুচমুচে আর মুখরোচক নাশতা খেতে অনেকে ভালোবাসেন। চাইলেই সাধারণ পেঁয়াজির বদলে বিকেলের নাশতায় বানিয়ে নিতে পারেন এক দারুণ টুইস্ট। বাইরে থেকে ধোঁয়া ওঠা মচমচে, আর ভেতরে মিষ্টি ভুট্টার রসাল স্বাদ ও কাঁচা মরিচের হালকা ঝাল—এই দুইয়ের যুগলবন্দীতে ভুট্টার পাকোড়া সত্যিই অনন্য। কম সময়ে আর সহজ কিছু ঘরোয়া উপাদানেই তৈরি করে নেওয়া যায় পুষ্টিকর এই নাশতা। ছোট-বড় সবার মন জয় করতে গরম-গরম সস বা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার এই ভুট্টার পাকোড়া!
তিসির গুঁড়া: ২ টেবিল চামচ
দুধ: আধা কাপ (কাজুবাদামের দুধ বা অন্য যেকোনো ফ্লেভারহীন, মিষ্টি ছাড়া দুধ)
ইস্ট: ১ টেবিল চামচ
বেকিং পাউডার: ১ চা-চামচ
লবণ: আধা চা-চামচ
রসুনগুঁড়া: কোয়ার্টার চা-চামচ
ময়দা: আধা কাপ (প্রয়োজনে কিছুটা কম-বেশি হতে পারে)
মিষ্টি ভুট্টা: দেড় কাপ (২টি ছোট সাইজের ভুট্টার মোচা থেকে ছাড়ানো বা হিমায়িত কর্ন ডিফ্রস্ট করে পানি শুকিয়ে নেওয়া)
কাঁচা মরিচ: ১ থেকে ২ টেবিল চামচ (ঝালের পছন্দ অনুযায়ী)
তেল: ভাজার জন্য পরিমাণমতো
একটি বড় মিক্সিং বোলে ২ টেবিল চামচ তিসির গুঁড়া এবং আধা কাপ দুধ সঙ্গে মিশিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিন। ৫ মিনিট পর ওই মিশ্রণে ১ টেবিল চামচ ইস্ট, ১ চা-চামচ বেকিং পাউডার, আধা চা-চামচ লবণ এবং কোয়ার্টার চা-চামচ রসুনগুঁড়া দিয়ে ভালো করে হুইস্ক দিয়ে ফেটিয়ে নিন। এরপর আধা কাপ ময়দা যোগ করে নাড়তে থাকুন, যতক্ষণ না একটি ঘন ব্যাটার তৈরি হয়। ব্যাটার ঘন হয়ে এলে তাতে দেড় কাপ ভুট্টা এবং ১ থেকে ২ টেবিল চামচ কুচানো কাঁচা মরিচ মিশিয়ে আলতো করে নেড়ে নিন। ব্যাটার বেশি পাতলা মনে হলে কিছুটা ময়দা এবং বেশি ঘন মনে হলে সামান্য দুধ মিশিয়ে সমতা আনুন। এবার ভাজার জন্য ফ্রাইং প্যান বা কড়াইতে মাঝারি-উচ্চ তাপে ১ টেবিল চামচ তেল গরম করুন। তেল গরম হলে চামচ বা কুকি স্কুপ দিয়ে ৩ টেবিল চামচ পরিমাণের ব্যাটার প্যানে ঢালুন এবং চামচের উল্টো পিঠ দিয়ে চ্যাপ্টা করে পাকোড়ার আকার দিন। প্রতি পিঠ ২ থেকে ৩ মিনিট করে হালকা সোনালি ও মচমচে হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। ভাজার পর পাকোড়াগুলোর অতিরিক্ত তেল ঝরানোর জন্য একটি ট্রের ওপর টিস্যু পেপার বিছিয়ে তার ওপর নেট/কুলিং র্যাক বসিয়ে রাখুন। সস, মেয়োনিজ বা পুদিনার চাটনির সঙ্গে গরম-গরম পরিবেশন করুন।
সূত্র: মিনিমালিস্ট বেকার