আগামী দশকে জি২০ভুক্ত দেশগুলোতে ভ্রমণ ও পর্যটন খাতে প্রায় ১২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হতে পারে বলে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডব্লিউটিটিসি)। সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিনিয়োগ ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক পর্যটন খাতের প্রতিযোগিতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বার্লিনে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম বোর্স বা আইটিবি বার্লিনে প্রকাশিত ‘ব্রিংগিং দ্য গ্যাপ: ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ডিমান্ড গ্রোথ অ্যাক্রোস দ্য জি২০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী দশকে জি২০ দেশগুলো এবং স্পেনে পর্যটন চাহিদা বছরে গড়ে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ হারে বাড়বে। একই সময়ে এই খাতে মূলধনি বিনিয়োগ বাড়বে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ হারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বল্প মেয়াদে বিনিয়োগের গতি চাহিদার তুলনায় কিছুটা ধীর হওয়ায় পর্যটন অবকাঠামোর ওপর চাপ তৈরি হতে পারে এবং কিছু এলাকায় পর্যটকের অতিরিক্ত ভিড় দেখা দিতে পারে। তবে ২০৩৩ সালের পর থেকে বিনিয়োগের পরিমাণ চাহিদাকে ছাড়িয়ে যাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জি২০ দেশগুলোর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে জার্মানি ও স্পেন। জার্মানি ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রায় ৫৪৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। অন্যদিকে স্পেন প্রায় ৩৪৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে, যা দেশটির পর্যটন খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।
ডব্লিউটিটিসির প্রেসিডেন্ট ও সিইও গ্লোরিয়া গেভারা বলেছেন, ‘ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবকাঠামো উন্নয়ন ও টেকসই বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় করা খুব জরুরি। এতে পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং কর্মসংস্থান বাড়বে।’
সূত্র: ডব্লিউটিটিসি ডট ওআরজি