ইসলাম ধর্মে সিয়াম বা রোজা কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি একজন মুসলমানের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক জীবনধারার অবিচ্ছেদ্য অংশ। রোজা মানুষকে আত্মসংযম, ধৈর্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে পরিচালিত করে। রমজান মাসের রোজা শুধু পানাহার ত্যাগ করা নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি ও সমাজসেবার এক অনন্য মাধ্যম।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা রোজার গুরুত্ব বর্ণনা করে ইরশাদ করেছেন, ‘হে ইমানদারগণ, তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)
নবী করিম (সা.) বলেছেন, রোজা মানে কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা নয়, বরং মিথ্যা, অশ্লীলতা ও মন্দ আচরণ থেকেও বিরত থাকা। (সহিহ্ বুখারি: ১৮৩৪)
রমজান মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন। এর প্রধান কিছু দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
রমজান মাস ও সিয়াম মানুষের নৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের একটি পূর্ণাঙ্গ কোর্স। এটি কেবল ক্ষুধা সহ্য করার নাম নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মহাসোপান। প্রতিটি মুমিনের উচিত যথাযথ নিয়ম মেনে রোজা পালন করে তাকওয়া অর্জন করা।