হোম > ইসলাম

নবীজির ভালোবাসায় ইহুদি বালকের ইসলাম গ্রহণ

কাউসার লাবীব

মসজিদে নববী, মদিনা। ছবি: সংগৃহীত

নবী (সা.)-এর সঙ্গে সখ্য ছিল মদিনার এক ইহুদি বালকের। সে প্রায়ই নবীজি (সা.)-কে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করত। নবীজির পবিত্র সান্নিধ্য পেয়ে বালকটির মন ধীরে ধীরে আলোকিত হচ্ছিল।

একদিন হঠাৎ সে খুব অসুস্থ হয়ে পড়ল। খবর পেয়ে নবীজি (সা.) তাকে দেখতে গেলেন। কেননা অসুস্থকে দেখতে যাওয়াও সওয়াবের কাজ। প্রিয় নবী (সা.) যখন তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন, তখন বালকটি এক অদ্ভুত প্রশান্তি অনুভব করল। নবীজি (সা.) তাকে বললেন, ‘তুমি ইসলাম গ্রহণ করে নাও।’

বালকটি এক মুহূর্তের জন্য তাঁর পিতার দিকে তাকাল—যিনি কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁর চোখভরা ছিল দ্বিধা। বাবা কি রাজি হবেন?

বাবা তাঁর ছেলের অবস্থা বুঝতে পারলেন। তিনি দেখলেন, আল্লাহর নবীর চোখে কত গভীর মমতা। তিনি ছেলেকে বললেন, ‘আবুল কাসেমের কথা মেনে নাও।’ নবীজির ডাকনাম ছিল আবুল কাসেম।

বাবার অনুমতি পেয়ে বালকটি আর দেরি করল না। তৎক্ষণাৎ কালিমা শাহাদাত পড়ে মুসলমান হয়ে গেল।

নবীজি (সা.) ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। তাঁর মুখে ছিল এক স্বর্গীয় হাসি। তিনি আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘যাবতীয় প্রশংসা সেই আল্লাহর, যিনি তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিলেন।’

তথ্যসূত্র: সহিহ্ বুখারি: ১৩৫৬

কোরআনে যে ৬ ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত বলা হয়েছে

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৮ আগস্ট ২০২৬

দান-সদকা যেভাবে জান্নাতের পথ সুগম করে

আখেরি চাহার সোম্বা কী, কেন পালন করা হয়

৯৫০ বছরের পুরোনো মেনুচিহর মসজিদ

কোরআন তিলাওয়াতের নিয়ম ও আদব

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৭ আগস্ট ২০২৬

১৭ খণ্ডের আরবি গ্রন্থ লিখে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি আলেম

ঘরে পরিবার নিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করবেন যেভাবে

মৃত্যুর পরও যে ৩ আমলের সওয়াব সচল থাকে