হোম > ইসলাম

আইয়ামে বিজের রোজা ও এর ফজিলত

ফয়জুল্লাহ রিয়াদ

ছবি: সংগৃহীত

রোজা আল্লাহ তাআলার অত্যন্ত প্রিয় ইবাদত। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আমরা পবিত্র রমজান মাসে রোজা রাখি। রমজানের রোজা আমাদের ওপর ফরজ। এই ফরজ রোজা ছাড়াও বছরের বিভিন্ন সময় নফল রোজা পালন করে আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভ করা যায়। যেমন, প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখার মধ্যে বেশ ফজিলত রয়েছে। হাদিসের ভাষায় এই তিনটি রোজাকে বলায় হয় আইয়ামে বিজের রোজা। এই রোজা প্রতি আরবি মাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখে রাখতে হয়।

কুদামা ইবনে মিলহান কায়সি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের আইয়ামে বিজ অর্থাৎ চন্দ্র মাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখে রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন।’ (সুনানে আবু দাউদ: ২৪৪৯)।

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘আমার বন্ধু (আল্লাহর রাসুল) আমাকে তিনটি অসিয়ত করেছেন, যা আমৃত্যু আমি পরিত্যাগ করব না। এক. প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা। দুই. চাশতের নামাজ আদায় করা। তিন. ঘুমের আগে বিতর নামাজ আদায় করা।’ (সহিহ্ বুখারি: ১১৭৮)

আইয়ামে বিজের রোজার ফজিলত বর্ণিত হয়েছে একাধিক হাদিসে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘মাসের তিন দিন রোজা রাখা অন্তরের ক্রোধ (ঘৃণা ও হিংসা) দূর করে।’ (সুনানে নাসায়ি: ২৩৮৫)

নবীজি (সা.) আরও বলেন, ‘প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা সারা বছর রোজা ও ইবাদত পালনের সমতুল্য।’ (সহিহ্ ইবনে হিব্বান: ৩৬৫২)

লেখক: মুহাদ্দিস, জামিয়া আরাবিয়া দারুস সুন্নাহ রাজাবাড়ী, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

গিবতের ভয়াবহ ৬ কুফল

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১২ জানুয়ারি ২০২৬

নফল ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত

প্রবাসীদের নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিন্নধর্মী আয়োজন

তওবা: মুমিনের নবজাগরণের পথ

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১১ জানুয়ারি ২০২৬

পণ্য মজুতদারি ও সিন্ডিকেট: ইসলামের সতর্কবার্তা

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১০ জানুয়ারি ২০২৬

জুমার দিন সুরা কাহাফ পাঠ করলে যে সওয়াব

দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম দরুদ পাঠ