ইসলামি জীবনব্যবস্থায় পারিবারিক ও সামাজিক পবিত্রতা রক্ষায় বিয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু সীমারেখা টেনে দেওয়া হয়েছে। একজন মুসলিম নারীর জন্য সব পুরুষকে বিয়ে করা বৈধ নয়। নির্দিষ্ট কিছু নিকটাত্মীয় রয়েছেন, যাঁদের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ইসলামি শরিয়তে হারাম বা নিষিদ্ধ। এই নিষিদ্ধ ব্যক্তিদেরই শরিয়তের পরিভাষায় ‘মাহরাম’ বলা হয়।
পবিত্র কোরআনের বর্ণনা ও ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন নারীর জন্য ১৪ জন পুরুষের সঙ্গে বিয়ে হারাম। এই পুরুষদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:
রক্তের সম্পর্কের কারণে একজন নারী নিচের সাতজনকে কখনো বিয়ে করতে পারবেন না:
দুধ সম্পর্কের কারণে রক্ত সম্পর্কের মতোই বিয়ে হারাম হয়ে যায়। এই তালিকায় রয়েছেন:
বিয়ের মাধ্যমে আত্মীয়তার কারণে নিচের ব্যক্তিদের বিয়ে করা হারাম হয়ে যায়:
দুলাভাই, দেবর বা ভাশুরের সঙ্গে সাময়িকভাবে বিয়ে হারাম হওয়ায় অনেকে মনে করেন তাঁরা মাহরাম এবং তাঁদের সঙ্গে দেখা করা জায়েজ। কিন্তু ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, তাঁরা ‘গায়রে মাহরাম’। অর্থাৎ, তাঁদের সঙ্গে বিয়ে সাময়িকভাবে হারাম হলেও (যেমন: বোন বেঁচে থাকা অবস্থায় দুলাভাইকে বিয়ে করা যায় না) তাঁরা মাহরাম নন।
তাই দেবর, ভাশুর, দুলাভাই ও কাজিন ভাইদের (চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, খালাতো ভাই) সামনে পর্দা করা ফরজ।
ইসলামে এই বিধানগুলো দেওয়া হয়েছে পারিবারিক পবিত্রতা রক্ষা ও বংশীয় সম্পর্কের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য।