হোম > ইসলাম

অহংকারের কুফল ও অহংকারীর ভয়াবহ পরিণতি

ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ 

ফাইল ছবি

আল্লাহ তাআলা মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। আর এ মর্যাদা টিকে থাকে বিনয় ও নম্রতার মাধ্যমে। অহংকার এমন এক মারাত্মক আত্মিক ব্যাধি—যা ইমান, চরিত্র ও মানবিকতাকে ধ্বংস করে দেয়। তাই কোরআন ও হাদিসে অহংকারকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ইসলামের দৃষ্টিতে আত্মগর্বের পাশাপাশি সত্য জেনেও তা প্রত্যাখ্যান করা এবং মানুষকে তুচ্ছ মনে করাও অহংকার। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘অহংকার হলো সত্যকে অস্বীকার করা ও মানুষকে তুচ্ছজ্ঞান করা।’ (সহিহ্ মুসলিম: ৯১)

অহংকারের প্রথম শিকার ইবলিস। আদম (আ.)-কে সিজদা করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করে আল্লাহর রহমত থেকে চিরতরে বিতাড়িত হয়। (সুরা আরাফ: ১২)। ইতিহাসে ফেরাউনও ক্ষমতার অহংকারে নিজেকে উপাস্য দাবি করে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। (সুরা ইউনুস: ৭৫)। দুনিয়ায় অহংকার মানুষের বিবেক নষ্ট করে, উপদেশ গ্রহণে বাধা দেয় এবং জুলুম ও বৈষম্য সৃষ্টি করে। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ অহংকারী ও আত্মম্ভরীকে ভালোবাসেন না।’ (সুরা নিসা: ৩৬)

আখিরাতে অহংকারীদের জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ (সহিহ্ মুসলিম: ৯১)

অহংকারের প্রকৃত প্রতিষেধক হলো বিনয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য বিনয় অবলম্বন করে, আল্লাহ তাকে মর্যাদায় উন্নীত করেন।’ (সহিহ্ মুসলিম: ২৫৮৮)। তাই বিনয়ই মুমিনের প্রকৃত অলংকার। অহংকার ধ্বংসের পথ, আর বিনয় মুক্তির পথ।

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

আয়াতুল কুরসির বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

শবে মিরাজের বিশেষ নামাজ আছে কি

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

জুমার নামাজ কত রাকাত, আদায়ের পদ্ধতি কী

শবে মিরাজ: ঊর্ধ্বাকাশে নবীজি (সা.)-এর অলৌকিক যাত্রা

শাবান মাস: ইবাদতের সুবাতাসে রমজানের প্রস্তুতি

মিরাজের বাহন বোরাক দেখতে কেমন ছিল?

ঐতিহাসিক মসজিদুল ফাসহের অজানা ইতিহাস