ঢাকা: বৈশ্বিক মহামারি করোনায় বিপর্যস্থ গোটা বিশ্ব। তবে করোনা মোকাবিলায় অনেকটাই সফল ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ অস্ট্রেলিয়া। এখনও পর্যন্ত দেশটিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৯ হাজার ৫১৩ জন আর মারা গেছেন ৯১০ জন। যা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম।
করোনার প্রকোপ বাড়তে শুরু করলে গত বছরের মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখনও দেশটির সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দেওয়ার জন্য তাড়াহুড়াও নেই দেশটির। করোনার মধ্যে কোনো রকমের ঝুঁকি নয় বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।
টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে আজ রোববার স্কট মরিসন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করছি সীমান্তগুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া কোনো তড়িঘড়ি করবে না। আমরা এই দেশে যেভাবে জীবনযাপন করছি তা আমি ঝুঁকির মধ্যে ফেলব না’।
তবে সীমান্ত বন্ধ থাকলেও দেশটির করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসায় অনেক বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। কয়েক মাস ধরে অস্ট্রেলিয়ানরা রেস্টুরেন্টে বসে খেতে পারছেন, গণজমায়েত করতে পারছেন এবং বেশির ভাগ জায়গাতেই এখন আর আগের মতো মাস্ক পরার প্রয়োজন হচ্ছে না।
এমনকি কাল সোমবার থেকে অস্ট্রেলিয়া থেকে নিউজিল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ড থেকে অস্ট্রেলিয়া কোয়ারেন্টাইনের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই ভ্রমণ করা যাবে। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিবেশি দেশ নিউজিল্যান্ডেও করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৫৯৫ জন আর মারা গেছেন ২৬ জন।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ। চলতি বছরের মধ্যে দেশটির সকল মানুষকে টিকাদানের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে অস্ট্রেলিয়ার সরকার।
সূত্র: সিএনএন ও রয়টার্স