হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

মরিশাসকে চাগোস ফেরত দিতেই যুক্তরাজ্যের কাছে ফকল্যান্ড চাইল আর্জেন্টিনা

একটি চুক্তির অধীনে দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ সহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করেছে যুক্তরাজ্য। ১৯৬৮ সালে মরিশাস স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ছিল চাগোস আইল্যান্ডস। দ্বীপগুলো নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ এবং আন্তর্জাতিক চাপের কাছে শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করেছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। তবে এই যুক্তরাজ্যের এমন সিদ্ধান্ত আরও একটি দেশকে আশাবাদী করে তুলেছে। সেই দেশটি হলো আর্জেন্টিনা। দক্ষিণ আটলান্টিক সাগরে অবস্থিত ফকল্যান্ড আইল্যান্ডস নিয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বহু বছরের বিরোধ রয়েছে দেশটির। 

মরিশাসকে চাগোস ফেরত দেওয়ায় যুক্তরাজ্যের প্রশংসা করেছেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডায়ানা মন্ডিনো। একইভাবে যুক্তরাজ্য যেন ফকল্যান্ড আইল্যান্ডস আর্জেন্টিনাকে ফেরত দেয় সেই আহ্বান জানান মন্ডিনো। এভাবে দ্বীপ দখল করে রাখার বিষয়টিকে তিনি ‘সেকেলে ঔপনিবেশিক আচরণ’ আখ্যা দিয়ে এর অবসান দাবি করেন। 

আর্জেন্টিনায় ফকল্যান্ড দ্বীপসমূহকে মালভিনাস নামে ডাকা হয়। আর্জেন্টাইন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে জানিয়েছেন, তাঁর দেশ ফকল্যান্ড পুনরুদ্ধারের জন্য ‘কঠিন পদক্ষেপ’ নেবে। দ্বীপগুলোর ওপর জাতির ঐতিহাসিক দাবিকে পুনরুল্লেখ করে মন্ডিনো বলেন, ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনা ছিল, আছে এবং সব সময় থাকবে।’ 

যুক্তরাজ্যের দখলে থাকা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের বর্তমান গভর্নর অ্যালিসন ব্লেক। মরিশাসকে চাগোস ফেরত দেওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার ফকল্যান্ডের বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন তিনি। এক বিবৃতিতে দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দাদের জানিয়েছেন, চাগোস ফেরত দিলেও দক্ষিণ আটলান্টিক অঞ্চলে ব্রিটেনের প্রতিশ্রুতি অটলই থাকবে। চাগোস এবং ফকল্যান্ড—এই দুটি অঞ্চলের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও ‘খুব আলাদা’ বলে দাবি করেন ব্লেক। 

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে শত্রুতা বহু পুরোনো। ১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে আর্জেন্টিনা এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে যুদ্ধও সংঘটিত হয়েছে।

১০০ কোটি ডলার দিয়ে ট্রাম্পের গাজা পরিষদে থাকছে যেসব দেশ, ‘না’ বলল যারা

গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে চুক্তির ‘কাঠামো’ প্রস্তুত, ইউরোপের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প, বিশেষ অস্ত্রটি যেভাবে কাজ করে

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দখল ঠেকানোর সাধ্য কারও নেই, তবে বল প্রয়োগ করব না: ট্রাম্প

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

ন্যাটোতে মার্কিন অংশগ্রহণ কমানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, লাগবে কয়েক বছর

যদি কিছু ঘটে, ওদের পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলব—কাকে এমন হুমকি দিলেন ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে পিছু হটার সুযোগ নেই, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: ট্রাম্প

এবার ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জে ‘নজর’ ট্রাম্পের, অস্বস্তিতে স্টারমার

গ্রিনল্যান্ড দখলে বল প্রয়োগ করবেন কি না—প্রশ্নে ট্রাম্পের ‘নো কমেন্ট’