হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

জনসমক্ষে আসার আতঙ্কে মাদক নিতেন প্রিন্স হ্যারি

ব্রিটিশ রাজপরিবারের রাজকীয় স্মৃতিকথায় ভিন্নমাত্রা যুক্ত করলেন প্রিন্স হ্যারি। তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন, সাধারণ জনগণের উদ্দেশে কিছু বলতে গেলে তিনি ভয় পেতেন এবং প্রচণ্ড চাপ অনুভব করতেন। আর সেই সময়টাতে তিনি মাদক গ্রহণসহ নানা উপায়ে সেই আতঙ্ক কাটানোর চেষ্টা করতেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রিন্স হ্যারি তাঁর স্মৃতিকথা ‘স্পেয়ার’-এর স্প্যানিশ সংস্করণে লিখেছেন, ‘সাইকেডেলিক ওষুধও আমাকে সাহায্য করেছিল। আমি সাধারণ আনন্দের জন্য সারা বছর ধরে এটা খেতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু এখন আমি এটা ওষুধ হিসেবে, থেরাপির জন্য খাই।’

হ্যারি আরও উল্লেখ করেন, এসব ওষুধ তাঁকে ‘খুব সীমিত সংবেদনশীল উপলব্ধির বাইরে অন্য একটি জগৎ’ দেখতে দিয়েছে। দার্শনিকেরা যে অবস্থান থেকে বলতেন যে ‘আমাদের দৈনন্দিন জীবন একটি বিভ্রম’, তেমন একধরনের উপলব্ধি তাঁর হতো বলে জানিয়েছেন হ্যারি।

হ্যারি আরও স্বীকার করেছেন, তিনি এমন পরিস্থিতিতে ‘অন্য রকম অনুভব করতে’ কোকেন সেবন করতেন।

প্রিন্স হ্যারির বহুল আলোচিত স্মৃতিকথামূলক বই ‘স্পেয়ার’ বাজারে আসবে ১০ জানুয়ারি। এর আগে বইটির কপি পেয়েছে যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম। ব্রিটেনের প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বইটির একটি অধ্যায়ে অগ্রজ প্রিন্স উইলিয়ামের বিরুদ্ধে গায়ে হাত তোলার অভিযোগ করেছেন প্রিন্স হ্যারি। তিনি লিখেছেন, ‘আমার স্ত্রী মেগানকে প্রিন্স উইলিয়াম “অভদ্র”, “রূঢ়”, “বেয়াদব” বলেছেন। এ নিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে বাগ্‌যুদ্ধে জড়ান। একপর্যায়ে আমার কলার চেপে ধরেন উইলিয়াম। এতে আমার গলার নেকলেস ছিঁড়ে যায়। এরপর তিনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দেন। আমি ছিটকে কুকুরের খাবার রাখা পাত্রের ওপর পড়ে যাই। পাত্রটি ভেঙে আমার পিঠ কেটে যায়। আমি হতবাক হয়ে ওখানেই শুয়ে ছিলাম। তিনি আমার পায়ের কাছে এসে দাঁড়ান এবং ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।’

গত বছরের সেপ্টেম্বরে মারা গেছেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তাঁর মৃত্যুর পর রাজার সিংহাসনে আরোহণ করেন প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারির বাবা ৭৪ বছর বয়সী চার্লস।

তার পর থেকেই দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েনের বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।

২০২০ সালে স্ত্রী মেগান মার্কেলকে নিয়ে রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে গেছেন প্রিন্স হ্যারি। এর পর থেকে রাজপরিবার ও ভাইয়ের সঙ্গে হ্যারির সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে।

গত বছর বিখ্যাত টেলিভিশন তারকা অপরাহ উইনফ্রের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে বসেছিলেন প্রিন্স হ্যারি। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি রাজপরিবার সম্পর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। এ ছাড়া নেটফ্লিক্সের একটি তথ্যচিত্রে হ্যারি ও ৪১ বছর বয়সী মেগান তাঁদের যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় পাড়ি জমানোর নেপথ্যের কারণ বলেছেন। সেই তথ্যচিত্রে তাঁরা রাজপরিবারের সঙ্গে তাঁদের নানান নেতিবাচক অভিজ্ঞতা অকপটে প্রকাশ করেছেন।

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ঠেকাতে নিজেই আদালতে গিয়েছিলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব যেভাবে শুরু হয়েছিল

জালিয়াতির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে চীনা বিলিয়নিয়ারের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলে ট্রাম্পের উদ্যোগ মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে খারিজ

ট্রাম্পকে ‘হারু’ বললেন বাইডেন, আখ্যা দিলেন—অযোগ্য, দুর্নীতিগ্রস্ত ও ফালতু বলে

স্থায়ী না হলে অস্থায়ী অভিবাসীদের দেশে ফেরত পাঠাবে ট্রাম্প প্রশাসন

নিজের ছবিযুক্ত ‘দেশপ্রেমিক পাসপোর্ট’ উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

টেক্সাসের সরকারি স্কুলে বাইবেল পাঠ বাধ্যতামূলক, শিক্ষকদের প্রতিবাদ

সাড়ে ৪ লাখ ডলারের চাকরি ছেড়ে ‘হালাল বারবিকিউ’ রেস্তোরাঁ, আয় কত জানেন

ইরানের অবমুক্ত করা অর্থ দিয়ে মার্কিন কৃষিপণ্য কেনাতে চান ট্রাম্প, তেহরানের প্রত্যাখ্যান