হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, ডেনমার্কের কাছে এর গুরুত্ব নেই: ট্রাম্প

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

আঙ্কারায় চলমান ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

ন্যাটো জোটের ভবিষ্যৎ এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক বাজেট নিয়ে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে। গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ডেনমার্কের কাছে এর আসলে কোনো গুরুত্বই নেই।

আজ বুধবার আঙ্কারায় চলমান ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।

এই বৈঠকেও ন্যাটো জোটের প্রতি ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের যে ক্ষোভ ও হতাশা তা প্রকাশ পেয়েছে। ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে অবশ্য চতুরতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি ট্রাম্পকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্ষোভ ও হতাশা তিনি বোঝেন। ইউরোপের কিছু দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটে ঘাটতি থাকার বিষয়টি কেবলই বিচ্ছিন্ন ঘটনা। অধিকাংশ ইউরোপীয় দেশই বর্তমানে ন্যাটোর তহবিল গঠনে আমেরিকাকে সহায়তা করছে।

আলোচনার একপর্যায়ে রুটে জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো বড় দেশগুলোর পক্ষে মৃদু সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু রুটের এমন অবস্থানে ট্রাম্প আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। তিনি সরাসরি যুক্তরাজ্যের সমালোচনা করে বলেন, ব্রিটিশরা দুই সপ্তাহের জন্যও আমাদের একটি দ্বীপ ব্যবহার করতে দেয়নি। এরপর তিনি ইতালিকে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ‘খারাপ ও নিষ্ক্রিয়’ দেশ আখ্যা দেন।

এর মধ্যে আলোচনার মোড় ঘোরাতে মার্ক রুটে ট্রাম্পের কূটনৈতিক সাফল্যের কথা তোলেন। তিনি বলেন, ‘আপনি তো স্পেনকে তাদের জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করতে রাজি করিয়েছেন। আপনি চাইলে অন্যরাও রাজি হবে।’

আলোচনা আরও জমে উঠে যখন গ্রিনল্যান্ড প্রসঙ্গটি সামনে আসে। ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে ডেনমার্কের এই দ্বীপটির বিষয়ে ট্রাম্পকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘দাভোস ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠকে আমরা গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছিলাম। চুক্তিটি যাতে ধাপে ধাপে এবং নিখুঁতভাবে বাস্তবায়িত হয়—সেটি আমি নিজে নিশ্চিত করব।’

রুটের এই আশ্বাসের পরেই ট্রাম্প আবারও ডেনমার্ককে উদ্দেশ্য করে আক্রমণাত্মক কথা বলা শুরু করেন। তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ড আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও ডেনমার্কের কাছে এর কোনো মূল্যই নেই। এখানেই শেষ নয়, ডেনমার্কের ওপর নিজের ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে ট্রাম্প দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস টেনে আনেন এবং সে সময় ডেনমার্কে নাৎসি বাহিনীর আধিপত্যের কথাও মনে করিয়ে দেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ন্যাটোর বর্তমান কার্যকলাপে তিনি ‘ভীষণ অসন্তুষ্ট’। তবে বৈঠকের শেষ মুহূর্তে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে ট্রাম্পের ক্ষোভ প্রশমিত করতে তাঁর অতিরিক্ত প্রশংসা শুরু করেন। প্রশংসা শুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট গলে যান এবং হাসিমুখে মন্তব্য বলেন, ‘ঠিক এই কারণেই আমি রুটেকে এত পছন্দ করি।’

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের যুদ্ধ-শান্তির খেলা, চার মাসে যতবার বদলালেন বক্তব্য

নিজ্জার হত্যাকাণ্ড: ভারতের নাম উল্লেখ ছাড়াই অভিযোগ গঠন করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরান দুষ্ট, অসুস্থ ও নোংরা, ওদের সঙ্গে সমঝোতা শেষ: ট্রাম্প

বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা ট্রাম্পের, পাত্তা দিচ্ছে না স্পেন

‘বেলজিয়াম জিতলে বলব ম্যাচ পাতানো’—ম্যাচের আগে ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য

ইরানের ভয়ে মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোকে ইসরায়েলে সরানোর পরামর্শ সাবেক মার্কিন জেনারেলের

মার্কিন দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানল সুপার টাইফুন বাভি, বড় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

বেলজিয়াম ম্যাচের আগে ফিফায় ট্রাম্পের তদবির, মার্কিন ফরোয়ার্ডের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন

পোপ চীনা কমিউনিস্টদের হয়ে কাজ করছেন: মার্কিন বিলিয়নিয়ার পিটার থিয়েল

নেতানিয়াহু আমার সঙ্গে দেখা করতে চান, তিনি জানেন বস কে: ট্রাম্প