হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ইরানের সেনারা এখন ক্রিমিয়ায়, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের তৈরি ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনে হামলা চালাতে রুশ বাহিনীকে সাহায্য করতে ইরানের সেনারা এখন মস্কো অধিকৃত ক্রিমিয়ায় রয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, ‘আমরা ধারণা করছি, ইরানের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ক্রিমিয়ায় রয়েছে এবং ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রুশ বাহিনীকে সাহায্য করছে।’ আজ শুক্রবার বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

জন কিরবি আরও বলেছেন, ‘রুশ বাহিনী যেসব ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের অবকাঠামো ধ্বংস করছে, সেই সব ড্রোন পরিচালনায় প্রতিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছেন ক্রিমিয়ায় থাকা ইরানের ড্রোন বিশেষজ্ঞরা।’ 

তেহরান এখন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সরাসরি রুশ বাহিনীর পদাতিক সৈন্যদের সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ করেছেন জন কিরবি। তিনি বলেছেন, ‘রুশদের অস্ত্র সরবরাহ করছে ইরান, যা ইউক্রেনের অবকাঠামো ধ্বংস করতে প্রভাবিত করছে।’ 

কিরবি আরও বলেছেন, ‘ইউক্রেনের জনগণের বিরুদ্ধে ইরানের এসব অস্ত্র সরবরাহকে উন্মোচন ও প্রতিরোধ করার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আমরা রাশিয়া ও ইরানের অস্ত্র ব্যবসার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো জোরালোভাবে প্রয়োগ করতে যাচ্ছি।’

এদিকে ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বেশ কয়েকটি শহরে ইরানের তৈরি ‘কামিকাজ ড্রোন’ ব্যবহার করে হামলা করেছে রাশিয়া। গত ১৭ অক্টোবর সকাল ৬টা ৩৫ থেকে ৬টা ৫৮ মিনিটের মধ্যে কিয়েভের শেভচেনকিভস্কি শহরে তিনটি ড্রোন হামলা করেছে রুশ বাহিনী। এসব ড্রোন ইরানের তৈরি বলে দাবি করেছে ইউক্রেন। তবে ইরান বরাবরই রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহের ব্যাপারটি অস্বীকার করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স অন্য এক প্রতিবেদনে ইরানের দুই কূটনীতিকের বরাত দিয়ে বলেছে, রাশিয়া আরও ড্রোন এবং লক্ষ্যে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম উন্নতমানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করতে ইরানকে অনুরোধ করেছে, বিশেষ করে ফাতেহ ও জোলফাগার ক্ষেপণাস্ত্র। জোলফাগারসহ ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপণযোগ্য স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে গত ৬ অক্টোবর ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে।

এই চুক্তির পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মন্ত্রীরা গত সোমবার ইরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধে তেহরানের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে নতুন করে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। তা ছাড়া এভাবে ড্রোন হস্তান্তর করা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২০১৫ সালের প্রস্তাবনার লঙ্ঘন বলেও উল্লেখ করেছে ফ্রান্স ও জার্মানি। তবে ইরানের একজন কূটনীতিক এমন যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন। 

আলোচনায় বসতে চেয়েছে ইরান, তবে তার আগেই কিছু করে ফেলতে পারি: ট্রাম্প

ইরানে সামরিক হামলাসহ কঠোর পদক্ষেপের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছাব: ট্রাম্প

৫১ বছর পর মার্কিন আকাশে ডুমসডে প্লেন, পারমাণবিক যুদ্ধের শঙ্কায় কাঁপছে সোশ্যাল মিডিয়া

ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপ বিবেচনা করছেন ট্রাম্প

রুবিও হবেন কিউবার প্রেসিডেন্ট—কোন হিসেবে বললেন ট্রাম্প

দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করে ফেল—কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

ইরানে হামলার উপায় ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র, হতে পারে বেসামরিক স্থাপনাতেও

গোয়েন্দাপ্রধান তুলসী গ্যাবার্ডকে মাদুরো উৎখাতের পরিকল্পনার বাইরে রেখেছিলেন ট্রাম্প

মাচাদোর নোবেল নিতে চেয়ে ট্রাম্প বললেন—এটি বড় সম্মানের

মাদুরোর মতো পুতিনকেও কি তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র? যা বললেন ট্রাম্প