ওমান সাগরে অবস্থানরত মার্কিন রণতরি লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইরানের নৌবাহিনী। ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ, তেলবাহী ট্যাংকার জব্দসহ সমুদ্রপথে যাতায়াতকারী নৌযানগুলোকে হয়রানির অভিযোগ তুলে তেহরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এদিকে ইরানের এই সতর্কবার্তা দেওয়ার ঠিক আগেই যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড দাবি করে, মার্কিন বাহিনী গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভারত মহাসাগরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তালিকায় থাকা এবং কোনো দেশের পতাকা ছাড়া চলাচলকারী ‘এম/টি ডাভিনা’ নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড বলেছে, ‘অবৈধ নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে এবং ইরানকে বস্তুগত সহায়তা প্রদানকারী নৌযানগুলোকে বাধা দিতে আমরা বিশ্বজুড়ে সামুদ্রিক আইন প্রয়োগের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত রাখব। তারা যেখানেই কার্যক্রম পরিচালনা করুক না কেন, তাদের রুখে দেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর বৈশ্বিক তেল সরবরাহের মূল পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় ইরান। এর জেরে গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোয় নৌ অবরোধ দিয়ে রেখেছে মার্কিন নৌবাহিনী। ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য—এই নৌ অবরোধের মাধ্যমে তারা ইরানকে অর্থনৈতিক চাপে রাখবে। সেই উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় ওমান সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে ইরানের এই সর্বশেষ ড্রোন ও মিসাইল হামলার ঘটনাটি ঘটল।