হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

গাজায় জিম্মি থাকা নারী সেনাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করল ইসরায়েল

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা গাজা থেকে হামাসের কাছে বন্দী অবস্থায় থাকা এক সেনাকে উদ্ধার করেছে। বাংলাদেশ সময় আজ সোমবার রাত ১১টার দিকে আমিরাতভিত্তিক দ্য ন্যাশনাল এই খবর জানিয়েছে।

ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার করা সেনাসদস্যকে ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি বসতিতে আকস্মিক হামলার সময় হামাস যোদ্ধারা অপহরণ করে গাজায় নিয়ে গিয়েছিল। স্থানীয় সময় অনুযায়ী আজ সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাক্সে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক টুইটে জানায়, উদ্ধার হওয়া সেনাসদস্যের নাম কর্নেল ইউরি মাগিদিশ। ওই টুইটে মাগিদিশসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের একটি ছবি পোস্ট করে উদ্ধারের তথ্য জানানো হয়।

টুইটে বলা হয়েছে, ‘এই সৈনিকের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর অবস্থা এখন ভালো এবং সে পরিবারের কাছে আছে।’ 

টুইটে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলের সামরিক এবং গোয়েন্দা বাহিনী অপহৃতদের ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় তাঁদের কাছে জিম্মি থাকা অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। 

একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে পোস্ট করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ধারণা করা হচ্ছে, ইহুদিবাদী হামলা ও গণহত্যার ফলে গাজা উপত্যকায় নিহত ইহুদি বন্দীর সংখ্যা ৫০ ছুঁয়েছে।’  

এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছিল, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা করে ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যার পাশাপাশি ২২৪ জনকে জিম্মি করে নিয়ে গেছে হামাস যোদ্ধারা।

ট্রাম্পকে ‘শয়তান’ আখ্যা দিল ইরান, ষড়যন্ত্র ভন্ডুলের দাবি

সৌদি আরবের হামলায় আমিরাতপন্থী ৭ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত, ইয়েমেনে নতুন উত্তেজনা

ইরানের গণ-অভ্যুত্থান ইতিহাসকে এগিয়ে নেবে—স্বর্ণপামজয়ী জাফর পানাহি

অর্থনৈতিক সংকটে দুর্বল ইরান বিক্ষোভে উত্তাল, সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৬

অর্থনৈতিক মন্দায় বিক্ষুব্ধ ইরান, জোরালো হচ্ছে সরকার পরিবর্তনের দাবি

ইরানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট, বিক্ষোভ ও সহিংসতায় নিহত ১

গত বছর দেশ ছেড়ে চলে গেছে ৬৯ হাজার ইসরায়েলি

গাজায় এনজিওর কার্যক্রম বন্ধ করল ইসরায়েল, ব্যাপক বিপর্যয়ের শঙ্কা

গাজা-পশ্চিম তীরের ৩৭ ত্রাণ সংস্থার লাইসেন্স ১ জানুয়ারি থেকে স্থগিত করেছে ইসরায়েল

ইয়েমেন সংঘাতে মুখোমুখি অবস্থানে সৌদি ও আরব আমিরাত