হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

পশ্চিম তীরে ৩ বছরে ১০৮০ জনকে হত্যা, ইসরায়েলের ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

রামাল্লার অদূরে ফিলিস্তিনি গ্রাম আল–মুগাইইরে দূর থেকে দাঁড়িয়ে ইসরায়েলি সেনাদের দেখছে ফিলিস্তিনি শিশুরা। ছবি: এএফপি

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি শিশুদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ও দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও গাজায় গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের পঞ্চম প্রতিবেদনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

গত সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে কমিশন জানায়, ফিলিস্তিনি শিশু হওয়ার পরিচয়ের কারণে তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা এবং গুরুতর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। কমিশনের মতে, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন সহিংসতা নয়, বরং ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্য করে পরিচালিত পরিকল্পিত নিপীড়নের অংশ।

জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ১ হাজার ৮০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২৩৭ জন ছেলে ও সাতজন মেয়ে শিশু। আহত হয়েছেন ১০ হাজার ৯৪০ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ জুন হেবরনে ইসরায়েলি সেনার গুলিতে সাত মাস বয়সী এক শিশু নিহত হয়। আহত হন শিশুটির মা-বাবা। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গাড়ির চালক গতি কমিয়ে গাড়ি থামিয়ে দুই হাত ওপরে তোলার পরও ওই সেনা কোনো সতর্কতা ছাড়াই দুটি গুলি চালান। একটি গুলি শিশুটির মাথায় লাগে। তাকে কোনো চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়নি।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, গাড়িটি সেনাদের দিকে এগিয়ে আসায় ইয়েহুদা ব্রিগেডের এক সদস্য গুলি চালিয়েছিলেন। তবে কমিশনের মতে, মাত্র ১০ মিটার দূরত্ব থেকে গাড়ির ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের স্পষ্টভাবে দেখতে পাওয়ার কথা ছিল ওই সেনার। ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ তুবাসের তাম্মুনে ছয় সদস্যের একটি পরিবারের গাড়িতে গুলি চালিয়ে মা-বাবা ও তাঁদের দুই ছোট ছেলেকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। আহত দুই বড় ছেলেকেও পরে সেনারা মারধর করেন। কমিশন জানিয়েছে, তদন্ত করা ঘটনাগুলোতে কার্যকর তদন্ত বা বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য তারা পায়নি। তাদের মতে, দায়মুক্তির কারণে ফিলিস্তিনি শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ বারবার সংঘটিত হচ্ছে।

পশ্চিম তীরে পরিকল্পিত হামলা ও নিপীড়ন

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ও ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা মিলে বেসামরিক জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যাপক ও পদ্ধতিগত আক্রমণে পরিণত হয়েছে। কমিশনের মতে, এসব কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তু করতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতাও ব্যবহার করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনাদের প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে এবং তা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হচ্ছে। অথচ একই ধরনের পরিস্থিতিতে ইহুদি ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগে সেনাদের নিষেধ করা হয়েছে।

দখলদার ইসরায়েলি সশস্ত্রবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল আভি ব্লুথের ২০২৬ সালের মে মাসের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি মন্তব্য করেছিলেন, সেনারা ‘১৯৬৭ সালের পর থেকে এমনভাবে হত্যা করেনি, যেভাবে এখন করছে’। এ ছাড়া অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচের বক্তব্যও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। ২০২৩ সালের নভেম্বরে তিনি পশ্চিম তীরে ‘২০ লাখ নাৎসি’ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। পরের বছর তিনি বলেন, ‘নতুন নাৎসিদের এমন একটি ভূখণ্ডে মূল্য দিতে হবে, যা তাদের কাছ থেকে চিরতরে কেড়ে নেওয়া হবে, গাজা এবং জুডিয়া ও সামারিয়া—উভয় জায়গাতেই।’

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ২৫৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর আগে ২০০৮ সাল থেকে ওই তারিখ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ছিল ছয়জন। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের হত্যা ও শারীরিক-মানসিক ক্ষতিসাধনের সাতটি ঘটনা তদন্ত এবং আরও ছয়টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে কমিশন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা নিরস্ত্র ছিলেন এবং কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি সৃষ্টি করেননি। অধিকাংশই ছিলেন শিশু, যাদের মধ্যে একটি সদ্যোজাত শিশুও ছিল।

কমিশনের ভাষ্য, ‘ইসরায়েলি নিরাপত্তাকর্মীরা কোনো সতর্কতা ছাড়াই প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করেছেন এবং ভুক্তভোগীদের মাথা ও শরীরের ওপরের অংশ লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন।’ কমিশনের সিদ্ধান্ত, ‘ইসরায়েলি সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে সব ভুক্তভোগীকে হত্যা করেছেন।’

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’কে কমিশন গাজায় প্রয়োগ করা ‘সর্বাত্মক ধ্বংসের কৌশল’ পশ্চিম তীরে সম্প্রসারণের প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেছে। এর ফলে ১৯৬৭ সালের পর পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সবচেয়ে বড় বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ৩৪ হাজার ১৭৬ জন বাস্তুচ্যুত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বেইতার কাছে তুর্কি-আমেরিকান অধিকারকর্মী আয়সেনুর আইগিকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। কমিশনের মতে, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত হত্যার যুদ্ধাপরাধ এবং সংশ্লিষ্ট সেনা তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যেই লক্ষ্যবস্তু করেছিলেন।

এ ছাড়া ইসরায়েলি হেফাজতে যৌন সহিংসতার আরও চারটি ঘটনা যাচাই করেছে কমিশন। এর মধ্যে মেগিদ্দো কারাগারে এক পুরুষ বন্দিকে বিভিন্ন বস্তু ব্যবহার করে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে। তদন্তে সাক্ষীদের জবানবন্দি, ডিজিটাল ফুটেজ, উন্মুক্ত সূত্রের প্রতিবেদন এবং কিছু ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট চিত্র ও ক্ষয়ক্ষতির ধরন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তথ্য চেয়ে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের কাছে দুটি করে অনুরোধ পাঠানো হলেও ফিলিস্তিন জবাব দিয়েছে, ইসরায়েল দেয়নি। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কমিশনের সদস্যদের প্রবেশ ও সরেজমিন তদন্তের অনুমতিও দেয়নি।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় গণহত্যা অব্যাহত

গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে বলে গত বছর সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল কমিশন। নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার ফিলিস্তিনিদের সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার অভিপ্রায় নিয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ও বাহিনী ‘গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে’।

২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ৪৩১ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ৩০০ জন শিশু। আহত হয়েছেন ৫ হাজার ২৬ জন। কমিশনের মতে, এ পরিসংখ্যান যুদ্ধবিরতি মোটামুটি কার্যকর থাকার বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরুর সময় পর্যন্ত গাজার তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছে অন্তত ১৯৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে গাজার ৫৩ শতাংশ ভূখণ্ড ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পরে তা বেড়ে অন্তত ৬০ শতাংশে দাঁড়ায়।

কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসন মুরালিধর বলেন, ‘গাজায় ইসরায়েলের ভূখণ্ডগত নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণের ফলে হলুদ রেখার কাছে যাওয়া বা তা অতিক্রম করা ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা ও আহত করার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।’

২০২৫ সালে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার দুই অংশগ্রহণকারীর বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ যৌন সহিংসতার ঘটনাকেও মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন। এতে লিঙ্গ, যৌন অভিমুখিতা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে নিপীড়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কমিশনের মতে, ১৯৪৭-৪৮ সালের যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল সহিংসতার মাধ্যমে ভূখণ্ড সম্প্রসারণ ও ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ প্রসঙ্গে স্মতরিচের ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, তিনি সার্বভৌমত্ব প্রয়োগের নীতি হিসেবে ‘সর্বনিম্ন জনসংখ্যা রেখে সর্বাধিক ভূখণ্ড’ অর্জনের কথা বলেছিলেন।

মুরালিধর বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাকে ইসরায়েলের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা তাঁদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বাস্তবায়নের কার্যকর উদ্যোগগুলোকে বাধাগ্রস্ত করছে।’

এসব অপরাধ পর্যালোচনা করে বিদ্যমান গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংশোধন এবং ভবিষ্যতে নতুন পরোয়ানা জারির বিষয়টি বিবেচনার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কৌঁসুলিকে আহ্বান জানিয়েছে কমিশন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে আইসিসি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। সম্প্রতি পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অপরাধ, যার মধ্যে অ্যাপারথাইড বা বর্ণবাদী আধিপত্য ও বৈষম্যভিত্তিক ব্যবস্থাও রয়েছে, সেই অভিযোগে স্মতরিচের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছে আইসিসির কৌঁসুলির দপ্তর।

আইসিসি এখনো গণহত্যার অভিযোগ তদন্ত করেনি। তবে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের সময় গণহত্যা সনদ লঙ্ঘনের অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা মামলা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) বিচারাধীন রয়েছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও অভিযোগ

প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর জেনিনে একটি চেকপয়েন্টে ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় তাঁর বেঁচে থাকার অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ‘প্রটেক্ট দ্য হোমল্যান্ড’ অভিযানের সময় ওই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

কমিশনের অভিযোগ, ভিন্নমত প্রকাশকারী ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদেরও লক্ষ্যবস্তু করছে পিএ। ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর জেনিন শরণার্থীশিবিরে এক নারী সাংবাদিকতা শিক্ষার্থীর হত্যাকাণ্ডও তদন্ত করেছে কমিশন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার আগের দিন ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য তাঁকে হুমকি দিয়েছিলেন।

মুরালিধর বলেন, ‘২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে অপ্রয়োজনীয় বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ শক্তি প্রয়োগের ঘটনা বাড়লেও হত্যাকাণ্ডের কার্যকর ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে এবং ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক ক্ষতিপূরণসহ কার্যকর প্রতিকার নিশ্চিত করতে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে।’

নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী আইজেনকটের জয় যেভাবে ইরান যুদ্ধের গতিপথ বদলাতে পারে

ইরানে আকস্মিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র, প্রস্তুত থাকতে বলল উপসাগরীয় দেশগুলোকে

ইসরায়েলে নির্বাচন: প্রথমবারের মতো রেকর্ডসংখ্যক আসন পেতে যাচ্ছে আরবরা

নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, ইসরায়েলে সরকার গঠনের চাবি আরব দলগুলোর হাতে

ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে কুয়েতে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

সংকট নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারে একমত ইরান–মক্কা জোট

ইরানের অর্থায়নে নতুন আঞ্চলিক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে হিজবুল্লাহ, সূত্রের দাবি

৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে ‘বড় সামরিক অভিযান’ চালাতে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী

তেহরানে মক্কা জোটের শীর্ষ নেতারা, আলোচ্যসূচিতে যা থাকছে

গাজার এতিম ৭১ হাজার শিশুর মধ্যে ৩ হাজারের নেই কেউই, স্বামীহারা ৬৪ হাজার নারী