হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

যৌথভাবে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘কান’ উৎপাদন করবে সৌদি–তুরস্ক

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

তুরস্কের তৈরি কান যুদ্ধবিমানের একটি প্রোটোটাইপ। ছবি: টিএআই

সৌদি আরব ও তুরস্ক যৌথভাবে তুরস্কের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান কর্মসূচি ‘কান’ (Kaan) উৎপাদনে বিনিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করছে। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মিসর ও সৌদি আরব সফর শেষে তুরস্কে ফেরার পথে গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এরদোয়ান বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে আমরা প্রতিরক্ষা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা চুক্তি সই করছি। এই সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে একটি যৌথ বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা চলছে। এই ‘কান’ বিনিয়োগ যেকোনো সময় বাস্তবায়িত হতে পারে।

তুরস্ক ২০১০ সাল থেকে পঞ্চম প্রজন্মের একটি যুদ্ধবিমান তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। তবে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ পড়ার পর এই প্রকল্পের গতি বাড়ে। ওই সময় তুরস্ক রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘কান’ প্রকল্পকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ কারণেই আন্তর্জাতিক অংশীদার খুঁজছে আঙ্কারা। গত জুনে ইন্দোনেশিয়া ‘কান’ যুদ্ধবিমান কিনতে তুরস্কের সঙ্গে চুক্তি করে। এই চুক্তির আওতায় ৪৮টি যুদ্ধবিমান কিনবে ইন্দোনেশিয়া। চুক্তিটির মূল্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। ১০ বছরের এই চুক্তিতে ইন্দোনেশিয়ায় ‘কান’-এর কিছু যন্ত্রাংশ যৌথভাবে উৎপাদনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।

কাতার ও আজারবাইজানসহ আরও কয়েকটি দেশও এই যুদ্ধবিমান কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘কানের’ প্রথম পরীক্ষামূলক উড়ান সম্পন্ন হয়। তখন এতে অস্থায়ীভাবে দুটি জেনারেল ইলেকট্রিক এফ ১১০-জিই-১২৯ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। এই ইঞ্জিনগুলো তুরস্কের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানেও ব্যবহৃত হয়। ‘কান’ কর্মসূচির নেতৃত্বে থাকা তুর্কিশ অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (টিএআই) এই বিমানের জন্য নিজস্ব দেশীয় ইঞ্জিন তৈরির কাজ করছে।

গত বছর তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ‘কান’-এর প্রথম ধাপে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত এফ ১১০-জিই-১২৯ ইঞ্জিন সরবরাহে বাধা দিচ্ছিল। টিএআইয়ের লক্ষ্য ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ তুরস্কের বিমানবাহিনীর কাছে প্রথম ‘কান’ যুদ্ধবিমান হস্তান্তর করা।

তবে কিছু বিশ্লেষকের মতে, এই সময়সীমা পিছিয়ে ২০৩০ সাল পর্যন্ত গড়াতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘কান’ ব্লক-১ সংস্করণের প্রথম ১০টি যুদ্ধবিমান ২০৩০ থেকে ২০৩৩ সালের মধ্যে তুরস্কের বিমানবাহিনীর কাছে সরবরাহ করার কথা রয়েছে।

ওমানের আলোচনায়ই যুক্তরাষ্ট্রকে শান্ত করতে চায় ইরান

এখনই ইরান ছাড়ুন—নাগরিকদের উদ্দেশে মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা

ট্রাম্পের বন্ধুর বিমানে করে ফিলিস্তিনিদের বহিষ্কার করা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে

গাজা–পশ্চিম তীরে চোরাচালানের অভিযোগে ইসরায়েলি গোয়েন্দাপ্রধানের ভাই গ্রেপ্তার

ট্রাম্পের ‘খ্যাপাটে’ পররাষ্ট্রনীতি ও সর্বগ্রাসী চাওয়া ভেস্তে দিতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

এপস্টেইন ফাইলস: ইসরায়েলে আরও ১০ লাখ রুশ পাঠাতে পুতিনের কাছে আবদার করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার কাঠামো প্রস্তাব মধ্যস্থতাকারীদের, কী আছে এতে

গাজায় আরও ১৮ জনকে হত্যা করল ইসরায়েল, বন্ধ রাফাহ ক্রসিং

‘আলোচনার মধ্যেই’ ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করল মার্কিন যুদ্ধবিমান

ইরানে বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩৯ বিদেশি গ্রেপ্তার